প্রচ্ছদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রচ্ছদ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



ঢাকা: কড়াইল বস্তির সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে আজ পরিদর্শনে যান স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন এবং সিও আকলিমা আক্তার সাথি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন, পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেন এবং সহায়তার আশ্বাস দেন।

অগ্নিকাণ্ডে সব কিছু হারিয়ে ফেলা এক মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান—
“আমার স্বামী আমায় ছেড়ে চলে গেছে। আমি দুই সন্তানকে নিয়ে এই বস্তিতে থাকি। অফিসে থাকা অবস্থায় খবর পাই আগুন লেগেছে। ছুটে এসে দেখি বাচ্চা দু’জন ভালো আছে—এটাই একমাত্র সান্ত্বনা। কিন্তু কয়েকটা পোড়া টিন ছাড়া আর কিছুই রক্ষা পায়নি। এখন দুই সন্তান নিয়ে খোলা মাঠেই রাত কাটাতে হয়।”

চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন বলেন,
“কড়াইলের এই মানুষগুলো আমাদের পরিবারের অংশ। তাদের এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং আমাদের সংস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

সিও আকলিমা আক্তার সাথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সান্ত্বনা দিয়ে জানান—
“শীতের সময় খোলা মাঠে রাত কাটানো অত্যন্ত কষ্টের। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পোশাক, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করছি।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন

 

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন




শান্ত থাকুন – আতঙ্কে দৌড়াবেন না।


ডাক–কভার–হোল্ড (Duck–Cover–Hold)

নিচু হয়ে যান


টেবিল/মজবুত কিছু দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন


যেটা ধরে আছেন, সেটা শক্ত করে ধরে থাকুন


বাড়ির ভেতরে থাকলে

জানালা, কাচ ও ভারী জিনিস থেকে দূরে থাকুন


লিফট ব্যবহার করবেন না


বাইরে থাকলে

বিল্ডিং, খুঁটি, ব্রিজ ও তার থেকে দূরে খোলা জায়গায় দাঁড়ান


গাড়িতে থাকলে

গাড়ি থামিয়ে ভিড় ও সেতু থেকে দূরে থাকুন


ভূমিকম্পের পর কী করবেন

গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি লাইন চেক করুন


আহতদের সাহায্য করুন


ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাইরে বের হয়ে খোলা জায়গায় থাকুন


অফিসিয়াল তথ্য ছাড়া কোনো গুজব বিশ্বাস করবেন না


আফটারশকের জন্য প্রস্তুত থাকুন

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

ঢাকা: স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও অর্থবহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শিক্ষকবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং সততা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


সভাপতির বক্তব্যে স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন এর প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীই আমাদের শক্তি। তাদের নৈতিক, মানসিক ও জ্ঞানগত উন্নয়নেই আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা। আজ যারা বিদায় নিচ্ছে তারা ভবিষ্যতে দেশের অহংকার হবে—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।”


এ বছরের আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভালোবাসার উপহার। ৫ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের জন্য একটি সুন্দর বুক সেলফ উপহার দেন, যা শিক্ষা ও পাঠাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে স্থাপন করা হবে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে প্রশংসা জানানো হয়।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান,


ইঞ্জিনিয়ার অরবিন্দ আদিত্য

 
বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম,


সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তারসহ বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।


সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, যার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।


পরে কেক কাটা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নাস্তা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। পরিশেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

 ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

 ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

মোহাম্মদ তারেক, বিশেষ প্রতিনিধি 

 এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায় রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে গত ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের এই ফ্ল্যাগশিপ আয়োজনটিতে অংশ নেন দেশের মার্কেটিং, অ্যাডভার্টাইজিং, ব্র্যান্ডিং, মিডিয়া, পাবলিক রিলেশনস এবং ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন খাতের শীর্ষ পেশাজীবীরা। আয়োজনটির এই বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “কেয়স, কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি: রিইমাজিনিং দ্য কমিউনিকেশন ক্যানভাস।”

সামিটের আলোচনায় বক্তারা জানান, যোগাযোগ শিল্প এখন দ্রুত বদলে যাওয়া বাস্তবতার মুখোমুখি। ডিজিটাল পরিবর্তন, নতুন ধরণের দর্শক আচরণ আর সাংস্কৃতিক পরিবর্তন—সবকিছু মিলেই ব্র্যান্ডের বার্তা পৌঁছে দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই গল্প বলার নতুন পথ, দর্শকের সঙ্গে আরও অর্থবহ সম্পর্ক এবং সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির রূপান্তর—এসব নিয়ে সামিটে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বক্তারা আরও বলেন, মানুষের জীবন ও সংস্কৃতিকে বোঝাই এখন কার্যকর যোগাযোগের মূল ভিত্তি।

অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, “আজ যোগাযোগের দুনিয়া আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চারপাশের অনিশ্চয়তা আর তথ্যের ভিড়ে পথ খুঁজে নিতে সৃজনশীলতাই এখন আমাদের সবচেয়ে শক্ত ভরসা। এই সামিট মনে করিয়ে দেয়—সংস্কৃতি, মানবিকতা এবং সৃজনশীল চিন্তা মিলেই তৈরি হয় এমন ব্র্যান্ড–গল্প, যা দর্শকের কাছে সত্যিকারের সংযোগ তৈরি করে এবং ব্যবসাকেও এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।”

দিনব্যাপী আয়োজনে ৩টি কিনোট সেশন, ৪টি প্যানেল ডিসকাশন ও ২টি কেস স্টাডির সমন্বয়ে ব্র্যান্ড–কমিউনিকেশন শিল্পের চলমান প্রবণতা, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ এবং পরিবর্তনশীল বাস্তবতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

কি–নোট সেশনগুলোতে বক্তারা তুলে ধরেন—ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধানে সৃজনশীল ভাবনার কার্যকর প্রয়োগ, ডিজিটাল যুগে ব্র্যান্ডের আত্মতুষ্টি থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকি—যার বাস্তব উদাহরণ হিসেবে উঠে আসে “জোহরান মামদানি” ক্যাম্পেইনের বিশ্লেষণ—এবং ব্র্যান্ডের তথ্যজট ভেদ করে স্পষ্ট, গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবশালী বার্তা তৈরির প্রয়োজনীয় কাঠামো। কি–নোট বক্তারা ছিলেন— তানজীন আলম, কান্ট্রি হেড, বাংলাদেশ অ্যান্ড এসইএ, এমামী লিমিটেড; অরূপ ইরফান স্যানাল, হেড অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ স্ট্র্যাটেজিস্ট, মাইটি:; এবং তৌফিক মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, মিডিয়াকম লিমিটেড।

নিজের কি–নোটে তানজীন আলম তুলে ধরেন—সত্যিকারের সৃজনশীলতা তখনই ফল দেয়, যখন তা বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধান করে। তিনি বলেন, “মানুষের অভ্যাস বদলাতে হলে আগে বুঝতে হবে কেন বদলানো দরকার।” তাই ব্র্যান্ডের উচিত প্রচলিত ভাবনার বাইরে গিয়ে আরও ধারালো, অন্তর্দৃষ্টি–নির্ভর কৌশল তৈরি করা। তাঁর মতে, একেক সময় পাঁচ সেকেন্ডের ঝলক, এক টুকরো বুদ্ধিদীপ্ত বাঁক বা শক্ত সাংস্কৃতিক সংকেত—অতি প্রযোজনা ছাড়াই দর্শকের মনোযোগ কাড়তে পারে।

প্যানেল আলোচনাগুলোতে উঠে আসে—পিচ–নির্ভর সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে ক্লায়েন্ট–এজেন্সির পার্টনারশিপভিত্তিক কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা। আলোচনা হয় কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সৃজনশীলতার গভীরতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত–মনস্ক, উদ্দেশ্য–নির্ভর মার্কেটিং নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা নিয়ে। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদে ব্র্যান্ডের ভ্যালু তৈরি করতে অর্থ, অনুভূতি ও সংস্কৃতিভিত্তিক কৌশলের গুরুত্বও বিশেষভাবে জায়গা পায়। এছাড়াও, কেস স্টাডি সেশনগুলোতে বিশ্লেষণ করা হয়—ব্র্যান্ডকে এখন কোন সাংস্কৃতিক ও আচরণগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হচ্ছে এবং তার প্রভাব কোথায় পড়ছে।

প্রথম প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, সমৃদ্ধ ক্লায়েন্ট–এজেন্সি সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্মান এবং যৌথ দায়িত্ববোধের মাধ্যমে। ন্যায্য প্রক্রিয়া—যেমন যথাযথ পিচ–ফি ও ভারসাম্যপূর্ণ চুক্তি—দুই পক্ষকেই আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। আলোচকরা উল্লেখ করেন, এজেন্সির বহুমুখী শিল্প–অভিজ্ঞতা থাকে, আর ক্লায়েন্ট যোগ করে ডেটা ও প্রেক্ষাপট; এই সমন্বয়ই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকতে সবচেয়ে জরুরি। প্যানেলের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাস তৈরি হয় যখন উভয় পক্ষ গবেষণা, মূল্যায়ন এবং সমস্যা সমাধানে প্রকৃত অংশীদারের মতো একসঙ্গে কাজ করে। 

সামিটের অন্যান্য সেশনে বক্তা হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন— আফজাল মাহবুব, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, গ্রে গ্রুপ; অজয় কুমার কুন্ডু, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, মিডিয়াকম লিমিটেড; সারাহ আলী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এফসিবি বিটপি; শারজিল করিম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইন্টারস্পিড অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড; ইশতিয়াক শহরিয়ার, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব ডিপার্টমেন্ট, ডিজিটাল অ্যাসেটস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, বিকাশ লিমিটেড; দ্রাবীর আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর, এক্স সলিউশনস লিমিটেড; তানভীর হোসাইন, এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড; লুতফি চৌধুরী, কো–ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও, অ্যাডফিনিক্স লিমিটেড এবং  প্রমুখ।

এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায় কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায় — কানস লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ক্রিয়েটিভিটি। স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার — ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, বিবিএফ সিএমও ক্লাব; নলেজ পার্টনার — মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ;  হসপিটালিটি পার্টনার — লে মেরিডিয়ান ঢাকা ; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার — টার্কিশ এয়ারলাইন্স; পিআর পার্টনার — ব্যাকপেজ পিআর। কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫ বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের একটি উদ্যোগ।


ছবি : মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু





শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

নরসিংদী:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায়  নরসংদীর রায়পুরা বালুয়াকান্দীতে  অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

ঢাকা, আগারগাঁও:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনে অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

 চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

📍 ঢাকা, ১২ নভেম্বর ২০২৫:

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে, যাতে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন ও স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পায়

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে আয়োজিত “স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২৫”-এর সংশোধন-বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি অনুদানের জন্য চলচ্চিত্র বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা এখন সবার দায়িত্ব।”

তিনি আরও জানান, চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে অনুদান নীতিমালার সংশোধন কার্যক্রম চলছে। নীতিমালায় যেসব ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো লিখিতভাবে প্রস্তাব আকারে জমা দিতে তিনি চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন —
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান সহ দেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক, নির্মাতা, অভিনেতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

🎬 সরকারের এ উদ্যোগে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন উদ্যম ও মানোন্নয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

 ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী নববর্ষ ২০২৬ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (৯ নভেম্বর, রোববার) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা, ৮ নভেম্বর:  ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবছর সৃজনশীল প্রকাশনা তৈরি করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ছাত্রশিবির আজ এ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। এই যাত্রা ছিল অত্যন্ত কঠিন। ছাত্রশিবিরের সফলতা কেউ কখনো সহজে মেনে নিতে পারেনি। এখন পর্যন্ত আমাদের জুলাইসহ ২৩৪ জন ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। গুম, খুন, জুলুম ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েই নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রকাশনাগুলো দিন দিন শিক্ষার্থীদের কাছে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। আমাদের প্রায় ৩০০ রকমের প্রকাশনা উপকরণ রয়েছে। ‘১ পাতায় মসজিদ’—এটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যসমৃদ্ধ একটি চমৎকার সামাজিক ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে। ‘৩ পাতার ক্যালেন্ডার’ তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য স্বপ্ন। এটি রীতিমতো একটি গবেষণাপত্র। কোনো প্রকাশনা অনর্থক তৈরি করা হয়নি। প্রতিটি প্রকাশনা সামগ্রীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কঠোর পরিশ্রম, আবেগ ও অনুভূতি। এটি ছাত্রসমাজের জন্য পাথেয়।”

সবশেষে তিনি সবাইকে প্রদর্শনীতে এসে এসব প্রকাশনা দেখার ও একে অপরকে উপহার প্রদানের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, গবেষণা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও ডাকসু জিএস এস. এম. ফরহাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি রেজাউল করিম শাকিল, মেডিকেল জোন সভাপতি ডা. যায়েদ আহমেদ এবং ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশনা উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ছাত্রশিবির সভাপতি। এরপর সকল প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেল। একই সঙ্গে সকল কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট সদস্যরা প্রকাশনার প্রদর্শন করেন।

পরবর্তীতে প্রদর্শনীতে কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ঘুরে ঘুরে দেখেন, প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন, দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, প্রকাশনা উপহার প্রদান করেন এবং মন্তব্য বোর্ডে স্বাক্ষর করেন।

প্রদর্শনীতে স্টলগুলোর মধ্যে ছিল জুলাই স্মারক গ্রন্থ, বাংলা ও ইংরেজি ডায়েরি, ৩ পাতা ক্যালেন্ডার, ১ পাতা ক্যালেন্ডার, ডেস্ক ক্যালেন্ডার, ইয়ার প্ল্যানার, জুলাই স্মৃতি সংকলন, প্রকাশনা আর্কাইভ, বিজ্ঞান বন্ধু, শিশু-কিশোর কার্নিভাল ও মন্তব্য বোর্ড।

উল্লেখ্য, ৯ ও ১০ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ২ দিনব্যাপী এ প্রকাশনা উৎসব চলবে।

মেরিনা তাবাসসুম: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মাথায় রেখে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের গুরুত্ব

মেরিনা তাবাসসুম: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মাথায় রেখে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের গুরুত্ব

 

ঢাকা, ৮ নভেম্বর:  বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবকে মাথায় রেখে স্থাপনার নকশা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। 

স্থাপত্য শাখার নোবেল হিসেবে খ্যাত আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই বাংলাদেশি কৃতী স্থপতি  বলেছেন, “একজন শিল্পী একটি দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, আর তাঁর শিল্পকর্ম তাঁকে সারা জীবন বাঁচিয়ে রাখে।”

শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিরামিক বাংলাদেশ ম্যাগাজিন’ আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধে তিনি এসব কথা বলেন। 

‘বিটুইন ইরোশন অ্যান্ড ইমারজেন্সি’ শিরোনামের উপস্থাপনায় মেরিনা তাবাসসুম তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “স্থাপত্য কেবল ভবন নির্মাণ নয়, এটি সংস্কৃতি, সমাজ ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি জীবন্ত শিল্প। একজন স্থপতির দায়িত্ব শুধু কাঠামো তৈরি নয়, বরং এমন কিছু সৃষ্টি করা যা মানুষের জীবন, পরিবেশ ও সময়ের সঙ্গে কথা বলে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের কাজ যেন এই মাটির বাস্তবতার সঙ্গে মিশে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং মানুষের জীবনধারার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থাপত্যের ভাষা বদলাতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “চরাঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচে। তাদের জীবনযাপন ও বাসস্থানকে টেকসইভাবে গড়ে তুলতে স্থাপত্যের নতুন ধারণা প্রয়োগ জরুরি।”

মেরিনা তাবাসসুম জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পুনর্বাসনযোগ্য ঘর তৈরিতে তার দল ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে। এসব প্রকল্পে স্থানীয় মানুষকে যুক্ত করে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নকশা তৈরি করা হচ্ছে।

মেরিনা তাবাসসুম আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু স্থাপনা নির্মাণ নয়, বরং মানুষের সঙ্গে তাদের পরিবেশের একটি ভারসাম্য সৃষ্টি করা। চরাঞ্চলের মানুষকে আত্মনির্ভর করে তুললেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।”


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিরামিক বাংলাদেশ ম্যাগাজিনের সিনিয়র অ্যাডভাইজর, আরকিকানেক্টের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্থপতি জালাল আহমেদ। 

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্থাপত্য আজ বিশ্বে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। মেরিনা তাবাসসুমের মতো স্থপতিরা আমাদের গর্ব এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।”

পুরো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন স্থপতি মৌসুমী আহমেদ। 


স্থপতি মাহমুদুল আনোয়ার রিয়াদের সঞ্চালনায় পরে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর জয়নাব ফারুকী আলী, স্থপতি নাহাস আহমেদ খলিল ও প্রফেসর ফুয়াদ হাসান মল্লিক।

সমাপনী বক্তব্যে বিসিএমইএ প্রেসিডেন্ট ও মুন্নু সিরামিকের ভাইস চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম বলেন, “দেশের স্থাপত্য ও সিরামিক শিল্প একে অপরের পরিপূরক। শিল্প, শিক্ষা ও গবেষণার সমন্বয় ঘটিয়ে এই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে দেশের প্রখ্যাত স্থপতি, প্রকৌশলী, সিরামিক শিল্প উদ্যোক্তা, শীর্ষ কর্মকর্তা ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

 জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক, 

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে ইচ্ছাশক্তি পাবলিকেশন প্রকাশিত ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ নামের যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মৌলভীবাজারের জুড়ীতে।

রোববার (১৯ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর ২টায় জুড়ী উপজেলার সানাবিল লাইব্রেরি অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টারে আয়োজন করা হয় এ অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন বইয়ের সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম আল-আজিম
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক জুয়েল আহমদ
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইমরান হোসেন মনিয়ার, জুড়ী পূর্ব উপজেলা সভাপতি রুমেল আহমদ, সেক্রেটারি জাবির হোসাইন, প্রচার সম্পাদক খালেদ মাসুদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাব্যগ্রন্থের লেখকবৃন্দ — মুশতাক আহমদ শাফিয়ান, মোঃ শরিফ উদ্দিন, হাঃ রেদওয়ানুল মাহবুব, নুরুল ইসলাম রোহিন, এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, পাঠক ও সাহিত্যপ্রেমীরা।

“জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা” কাব্যগ্রন্থে স্থান পাওয়া লেখকরা হলেন —
আশরাফুল ইসলাম আল-আজিম, আল আমিন গাজী, মুহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম, শাহ মোহাম্মদ আজিজ উল্লাহ, ফাতেমা আক্তার শ্যামলী, মোঃ শরিফ উদ্দিন, আব্দুল মাজেদ নুরুন্নবী, শেখ জিল্লুর রহমান স্বপন, মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম আনছারী, জান্নাত মাহি, দেবদাস চন্দ্র দাস, মুশতাক আহমদ শাফিয়ান, নুরুল ইসলাম রোহিন, শেখ মোহাম্মদ আবুল কাশেম, সৃজনী আচার্য নীলা, শাহ জাহেদ আহমদ, আল সেলিম আহমেদ, আল-মাসউদ, মাহবুব মাসুদ ও ইয়াসমিন আক্তার।

অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “সাহিত্য সমাজ ও জাতি গঠনের অন্যতম শক্তি। তরুণ প্রজন্মের লেখকদের সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে।”

পরিশেষে সম্পাদক ও নির্বাচিত লেখকদের হাতে সাহিত্য সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এরপর উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

সমকালীন রোমান্টিক উপন্যাস “ভালোবাসার অমর অশ্রু” প্রকাশিত

সমকালীন রোমান্টিক উপন্যাস “ভালোবাসার অমর অশ্রু” প্রকাশিত

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে প্রতিশ্রুতিশীল সাহিত্যিক মোঃ আকবর হোসেন রচিত সমকালীন রোমান্টিক উপন্যাস “ভালোবাসার অমর অশ্রু”। প্রকাশনার দায়িত্ব নিয়েছে সুপরিচিত ইচ্ছা শক্তি প্রকাশনী। বইমেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচনের পর থেকেই পাঠক মহলে বইটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।

উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট

“ভালোবাসার অমর অশ্রু” একদিকে যেমন প্রেম ও আবেগের গল্প, অন্যদিকে এটি মানবিক সম্পর্ক, সমাজ ও জীবনের বাস্তবতার প্রতিফলন। লেখক কাহিনির প্রতিটি বাঁকে ফুটিয়ে তুলেছেন সুখ–দুঃখ, বিচ্ছেদ–মিলন, আশা–নিরাশার নানান অভিজ্ঞতা। উপন্যাসটি শুধু প্রেম নয়, বরং মানবিকতার গভীর মূল্যবোধকেও কেন্দ্র করে এগিয়েছে।

লেখকের বক্তব্য

লেখক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,
“আমি ছোটবেলা থেকেই সাহিত্য ও কবিতার প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেছি। এই উপন্যাসে আমার মূল লক্ষ্য ছিল প্রেম ও মানবিকতার সংমিশ্রণে একটি এমন কাহিনি নির্মাণ করা, যা পাঠকের হৃদয়ে স্থায়ী ছাপ ফেলবে। ভালোবাসা কেবল আবেগের বিষয় নয়, বরং জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে এটি ভিন্ন ভিন্নভাবে মানুষকে স্পর্শ করে। আমি চাই, পাঠক এই বই থেকে শুধু বিনোদন নয়, জীবনের নতুন এক উপলব্ধিও খুঁজে পাক।”

প্রকাশকের মন্তব্য

ইচ্ছা শক্তি প্রকাশনীর একজন প্রতিনিধি জানান,
“আমরা বিশ্বাস করি ভালোবাসার অমর অশ্রু বর্তমান প্রজন্মের পাঠকের কাছে বিশেষভাবে গ্রহণযোগ্য হবে। উপন্যাসে আবেগের পাশাপাশি যে বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মানবিকতার ছোঁয়া আছে, তা পাঠকদের মুগ্ধ করবে।”

পাঠকের প্রতিক্রিয়া

 উপন্যাসটি হাতে পেয়ে অনেক পাঠক জানিয়েছেন, লেখক আকবর হোসেনের লেখনীতে পাওয়া যায় সহজ ভাষার প্রবাহ, অথচ গভীর আবেগের প্রকাশ। কেউ কেউ বলেছেন, এই বই তাদের মনে পুরোনো ভালোবাসার স্মৃতি জাগিয়ে তুলেছে, আবার কেউ কেউ বইয়ের কাহিনি থেকে জীবনের শিক্ষা খুঁজে পেয়েছেন।

সংগ্রহের সুযোগ

উপন্যাসটি বর্তমানে অনলাইনে Bikroy.com-এ পাওয়া যাচ্ছে। নিজের সংগ্রহে রাখার পাশাপাশি প্রিয়জনকে উপহার দেওয়ার জন্যও এটি হতে পারে একটি অনন্য সংযোজন।

উপসংহার

সমকালীন সাহিত্য ধারায় “ভালোবাসার অমর অশ্রু” নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। প্রেম, আবেগ ও মানবিকতার সার্থক মেলবন্ধনে উপন্যাসটি পাঠককে এক অনন্য অভিজ্ঞতা দেবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

📞 অর্ডার করতে এখনই ইনবক্স করুন-ইচ্ছা শক্তি প্রকাশনী- অথবা কল করুন: 01516379064 





২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে এস.এম শফিউল আযম পরিচালিত  মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘উদীয়মান সূর্য’

২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে এস.এম শফিউল আযম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘উদীয়মান সূর্য’

বিনোদন ডেস্কঃ  ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে এস.এম. শফিউল আযম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক  নতুন চলচ্চিত্র “উদীয়মান সূর্য”

 

বিনোদন ডেস্কঃ  ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে এস.এম. শফিউল আযম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক  নতুন চলচ্চিত্র “উদীয়মান সূর্য”

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, সংগ্রামী মানুষের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও ত্যাগের কাহিনী নিয়ে নির্মিত এই ছবি দর্শকদের সামনে হাজির করবে এক নতুন আঙ্গিকের গল্প।

পরিচালক এস.এম. শফিউল আযম বলেন—

“মুক্তিযুদ্ধ আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতেই এই চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছি। আলো–ছায়া আর স্বপ্নের মিশেলে ‘উদীয়মান সূর্য’ দর্শকদের ভিন্ন অভিজ্ঞতা দেবে।”

প্রচারণার অংশ হিসেবে সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে ছবির রোমান্টিক তিনটি গান। গানের কথা লিখেছেন এস.এম. কামাল। প্রকাশের পর থেকেই গানগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং শ্রোতাদের হৃদয়ে এনেছে ভিন্ন আবেগ।

মৌলিক গল্প ও গানে সমৃদ্ধ এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন—
সাদমান সামীর, কান্তা নুর, শিশির আহমেদ, তামান্না জুলি, ওবিদ রেহান, সাজ্জাদ সাজু, আনোয়ার সিরাজী, গুলশান আরা পপি, এবিএম সোহেল রশীদসহ আরও অনেকে।

 

লিনেট ফিল্মস প্রযোজিত “উদীয়মান সূর্য”-এর কাহিনী, সংলাপ, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন এস.এম. শফিউল আযম।

শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে স্বদেশ মৃত্তিকা স্কুলে দোয়া মাহফিল

ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে স্বদেশ মৃত্তিকা স্কুলে দোয়া মাহফিল

 ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে স্বদেশ মৃত্তিকা স্কুলে দোয়া মাহফিল


ঢাকা: শনিবার  (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫) ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন শাখায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন।

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা উপদেষ্টা ডা. হাবিবুর রহমান, আল মাইজভান্ডারি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন।হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিপলু ও আমজাদ হোসেন সুমন, নির্বাহী সদস্য মনির হোসেন সোহেল।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম ও সাদমান সাব্বির এবং শিক্ষক সোহাগী আক্তার, জাবেদ হোসেন ও নুপুর আক্তার।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবতার মুক্তির দিশারি। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। শিক্ষার্থীরা ইসলামের শান্তির বাণী এবং নবীর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। অভিভাবকরা এ আয়োজনের জন্য আয়োজক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

 সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ

সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ

 সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ


নরসিংদী, ২৭ আগস্ট ২০২৫:
আজ স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার প্রতি শিশুদের আগ্রহ বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, মিডিয়া অফিসার নুপুর আক্তার এবং একাউন্টস অফিসার সাদমান সাব্বির।

এসময় নরসিংদী শাখার প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা এবং তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে স্বদেশ মৃত্তিকা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে এই শিশুরা আরও স্বপ্ন দেখতে এবং তা পূরণ করতে সক্ষম হবে।”

আয়োজকরা জানান, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা নিয়মিতভাবে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সামগ্রী ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।





রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে উদযাপন

৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে উদযাপন

 

৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে উদযাপন

 

Leo Club of Dhaka Aristocrat এবং Leo Club of Aristocrat Sunshine, স্পন্সরকৃত Lions Club of Dhaka AristocratLions Club of Dhaka Banani Model Town-এর উদ্যোগে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর সহযোগিতায় আয়োজিত হলো দিনব্যাপী শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠান।

২৩ আগস্ট, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো লিও আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এ বছর পালিত হলো ৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে

অনুষ্ঠানে পাঁচটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়—
১. কুরআন তেলাওয়াত
২. গান
৩. নৃত্য
৪. কবিতা আবৃত্তি
৫. চিত্রাঙ্কন

শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শন করে। বিচারকমণ্ডলীর সামনে প্রতিযোগীরা দুর্দান্ত পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। প্রতিটি ক্যাটাগরির সেরা প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয়, যাতে তারা অনুপ্রাণিত হয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে পারে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে একটি কেক কাটা হয় এবং ১২০ জন অংশগ্রহণকারীর জন্য সুস্বাদু মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

পুরো অনুষ্ঠানটি সম্মানিত অতিথিদের উপস্থিতিতে আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উপস্থিত ছিলেন—

  • Past District Governor Ln. Halen Akhter Nasrin PMJF

  • Past District Governor Ln. Md. Lutfor Rahman MJF

  • Spouse of First Vice Governor (24-25) Ln. Rozina Shaheen Muna

  • Second Vice Governor (24-25) Ln. Dr. Khandaker Mazharul Anwar MJF

  • Region Chairperson (HQ) (24-25) Ln. Rafiqul Bari Mukta

  • Cabinet Secretary (23-24) Ln. Ashiquzzaman Chowdhury Emon

ক্লাবের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন—

  • Leo Club Advisor Ln. Shireen Akhter Ruby

  • Lions Club President Ln. Roksana Akhter

  • Lions Club Secretary Ln. Asma Akter

এছাড়াও স্বদেশ মৃত্তিকা থেকে উপস্থিত ছিলেন—

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন

  • পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর

  • মিডিয়া অফিসার নুপুর আক্তার

  • শিক্ষক রাশিদা আক্তার, সোহাগী আক্তার ও জাবেদ হোসেন

দুই ক্লাবের ৩০ জন লিওস সদস্য যৌথভাবে অনুষ্ঠানের প্রতিটি ধাপ সুপরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ অনুষ্ঠানের সব খরচ লিও সদস্যরা নিজেরাই বহন করেছেন, যা তাদের লিও আন্দোলনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নিবেদনকে প্রকাশ করে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা আর নেই

বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা আর নেই

 বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা আর নেই

 


বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা (৭৯) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ২২শে আগস্ট রাত ৮টা ২০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

১৯৪৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভোলা জেলার সদর উপজেলার কানাই নগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা ছিলেন আলী হোসেন মিয়া এবং মাতা আছিয়া খাতুন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এপ্রিল মাসে তিন সপ্তাহের গেরিলা ট্রেনিং শেষে তৎকালীন এমপিএ তোফায়েল আহম্মেদের নেতৃত্বে এবং ভোলার হাইকমান্ড ছিদ্দিকুর রহমান গ্রুপের সঙ্গে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ নেন। বাংলাবাজারের টুনিরহাট, দেউলা তালুকদার বাড়ি, বোরহানউদ্দিন হাইস্কুল মাঠ, দৌলতখান ও পেয়ার আলীর বেপারী বাড়ির ক্যাম্পে রাজাকার ও পাক সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিয়ে তিনি অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন। ভোলাকে পাক হানাদার মুক্ত করতে তাঁর অবদান অনন্য।

যুদ্ধক্ষেত্রে তাঁর সহযোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন ছিদ্দিকুর রহমান, মোহাম্মদ শাহাজাহান, মাফুজুর রহমানসহ আরও অনেকে। মুক্তিযুদ্ধকালে সংগ্রাম পরিষদের প্রধান হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি ছিলেন ভোলা জেলা ইউনিটের প্রাক্তন জেলা কমান্ডার, ধনিয়া ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, ভোলা আইন কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক, ভোলা জেলা আইনজীবী সমিতির ১৯৭৪-৭৬ মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক এবং হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী। এছাড়া তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত হাইকোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ভোলা সদরের মতিয়র রহমানের কন্যা হাসিনা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি দুই পুত্র ও এক কন্যার জনক। বড় ছেলে মোহাম্মদ খায়রুল হাসান বাংলা৫২নিউজের এইচআর এডমিন এবং ছোট ছেলে মো. মেহেদী হাসান (শিমুল) হাইকোর্টের স্বনামধন্য আইনজীবী।

গত বছর ১৩ই সেপ্টেম্বর তাঁর সহধর্মিনী হাসিনা বেগম মৃত্যুবরণ করেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় হাইকোর্টে বাদ জোহর এবং দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় তাঁর বাসস্থান পল্লবীর মোল্লা জামে মসজিদে। জানাজা শেষে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধে তাঁর গৌরবোজ্জ্বল অবদান, ত্যাগ ও কর্মজীবন আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

সুমন-সোলাইমান-রনির নেতৃত্বে কদমতলী থানা সাংবাদিক ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

সুমন-সোলাইমান-রনির নেতৃত্বে কদমতলী থানা সাংবাদিক ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

স্বদেশ সময় প্রতিবেদক 

কদমতলী থানা সাংবাদিক ক্লাবের এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১ বছরের জন্য ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন উদ্যমী সাংবাদিক ও সুসংগঠক সুমন চৌধুরী (নতুন সময়), সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পেশাদার সাংবাদিক মোঃ সোলাইমান (মানবকণ্ঠ), আর সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কর্মঠ ও পরিচিত মুখ রনি মজুমদার (ভোরের পাতা)।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় কদমতলী থানার রায়েরবাগে ক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এই কমিটির গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল গত ২৭ জুন অনুষ্ঠিত বার্ষিক ফল উৎসবের। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই তুহিন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক জাকির মাঝি। সেদিনই উপস্থিত সাংবাদিকদের সম্মতিক্রমে সুমন চৌধুরী ও মোঃ সোলেমানকে যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার সফল বাস্তবায়ন আজ সম্পন্ন হলো।

নবনির্বাচিত ২৩ সদস্যের কমিটি:

সভাপতি: সুমন চৌধুরী (নতুন সময়), সিনিয়র সহ-সভাপতি: হাসান কবির জনি (বিজনেস জার্নাল), সহ-সভাপতি: রুবেল গাজী (CIN টিভি), সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সোলেমান (মানবকণ্ঠ), সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: আশরাফ উদ্দিন (আজকের টাইমস), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: ইবনে ফরহাদ তুরাগ (বাংলাদেশের আলো), সাংগঠনিক সম্পাদক: রনি মজুমদার (ভোরের পাতা), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: নুরুন্নবী শরীফ অর্নব (আলোর জগত), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান মিলন (CNN বাংলা টিভি), দপ্তর সম্পাদক: রাকিব হোসেন মিলন (আজকের টাইমস), সাহিত্য, প্রকাশনা ও অর্থ সম্পাদক: বাবলু শেখ (স্বাধীন সংবাদ), আইন সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুন্নবী বিপ্লব (সকালের সময়),  তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক: নাসির উদ্দীন মোল্লা ( ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস), সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক: এম এ এইচ মাসুদ (বার্তা বিচিত্রা), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: শাহজালাল ফারুক (সময়ের কাগজ), সহ-দপ্তর ও আইসিটি সম্পাদক: নয়ন সমাদ্দর রুদ্র (দুর্নীতি সমাচার), প্রচার সম্পাদক: লিটন গাজী (সাহারা টিভি), পাঠাগার সম্পাদক: এস ইসলাম জয় (আমাদের সময় ডটকম), ক্রীড়া সম্পাদক: দীপু ভুঁইয়া (আওয়ার বাংলাদেশ), কার্যনির্বাহী সদস্য: জেসমিন জুঁই (ডেইলি ট্রাইবুনাল), কার্যনির্বাহী সদস্য: মিজানুর রহমান সুমন (আমাদের কণ্ঠ), কার্যনির্বাহী সদস্য: ফারদিন আহমেদ ইমন (নয়াদিগন্ত), কার্যনির্বাহী সদস্য: মোঃ আক্তারুজ্জামান (দৈনিক নিরপেক্ষ)।  

নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সভাপতি সুমন চৌধুরী বলেন, "এই সংগঠন হবে ঢাকা-৪ ও ঢাকা -৫ অঞ্চলের সাংবাদিকদের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।" সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলাইমান জানান, "সবাইকে নিয়ে একটি সক্রিয় ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব দিতে আমরা প্রস্তুত।"

সাংগঠনিক সম্পাদক রনি মজুমদার বলেন, "আমরা মাঠে, মানুষের পাশে, সাংবাদিকের পাশে—এই মূলমন্ত্রে কাজ করব।"

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা নিয়মিত কর্মসূচি, পেশাগত প্রশিক্ষণ আয়োজন, মানবিক সহায়তা এবং সাংবাদিক নির্যাতন মোকাবেলায় আইনি সহায়তা প্রদানের মতো কার্যক্রম বাস্তবায়নে সক্রিয় থাকবেন।

 

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, একবেলা আহার ও অভিভাবক সমাবেশ

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, একবেলা আহার ও অভিভাবক সমাবেশ

ভালোবাসার ছায়ায় শিক্ষার আলো

স্বপ্ন দেখে যারা বইয়ের পাতায়, কলমের আঁচড়ে, সেইসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে আজ হাসি ফুটেছে—স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার আঙিনায়।

১৯ জুলাই ২০২৫, শনিবার, সকাল ১০টায়
স্থান: স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার আন্তরিক প্রয়াসে অনুষ্ঠিত হলো এক মহতী আয়োজন—শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, একবেলা আহার ও অভিভাবক সমাবেশ।

 
শত শত নিষ্পাপ মুখের আনন্দে মুখর ছিলো পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

এই আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন, যিনি শুধু একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেননি—নির্বাক শিশুর স্বপ্নে রেখেছেন আশার আলো।

উপস্থিত ছিলেন সংস্থার মহাসচিব তানিয়া শেখ, ভাইস-চেয়ারমযান-জান্নাতুন নাঈম ইরা , যুগ্ম মহাসচিব মো. বাবুল হোসেন, মো. আকবর হোসেন নান্নু, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ এবং শিক্ষকবৃন্দ সান্তা শেখ, সানজিদা আক্তার, রুমিসহ আরও অনেকেই।

অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষার গুরুত্ব, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠন এবং সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে সংবেদনশীল আলোচনা হয়। শিক্ষকদের হাতে, অভিভাবকদের আশ্বাসে ও অতিথিদের ভালোবাসায় দিনটি হয়ে ওঠে সত্যিকারের "আলোকিত দিন"।

চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন-এর হৃদয়ছোঁয়া বক্তব্য বলেন:

“আজ যখন দেখি, ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের চোখে স্বপ্নের দীপ্তি—তখন মনে হয়, আমাদের পরিশ্রম সার্থক। এই শিশুরা একসময় পথে ঘুরে বেড়াতো, বই খাতা ছিল না, ছিল না কোনো ঠিকানা। আজ তারা স্কুলের বেঞ্চে বসে, কলম ধরে, স্বপ্ন আঁকে।স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন শুধুমাত্র একটি স্কুল নয়—এটি ভালোবাসার প্রতীক, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন।

আমি বিশ্বাস করি, একটা বই, একমুঠো খাবার আর একটু ভালোবাসা যদি দিতে পারি—তবে আমরা একটি প্রজন্ম বদলে দিতে পারবো। আমাদের এই যাত্রায় আপনারা পাশে থাকুন, তাহলেই শিশুগুলো আলোর মুখ দেখবে।”
 

 আকবর হোসেন নান্নু- বলেন :
“এই শিশুদের চোখের দিকে তাকালেই বুঝি, তারা কী চায়—একটু মমতা, একটু সুযোগ, একটু আলোর পথ।
আমরা চেষ্টা করি তাদের সেই পথটা দেখাতে। প্রতিদিন যখন দেখি কেউ একজন নিজের নাম লিখতে শিখেছে, ছোট্ট করে একটা কবিতা বলছে, তখন বুকটা গর্বে ভরে যায়।

এই স্কুল শুধু আমাদের দায়িত্ব নয়, এটা আমাদের হৃদয়ের টান। যতদিন বাঁচি, ততদিন এসব নিষ্পাপ মুখের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাবো।

 ভাইস-চেয়ারমযান-জান্নাতুন নাঈম ইরা বলেন :
আমরা চাই না তারা দয়া পাক, আমরা চাই তারা অধিকার পাক—শিক্ষার অধিকার, ভালো থাকার অধিকার।”

 
এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়—একটি বই, একটি খাতা, একটি কলম আর কিছু ভালোবাসা বদলে দিতে পারে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ। 

বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

🌍 “জলবায়ু নয়, বদল হোক আমাদের মনোভাব!” ✍️ মো. আকবর হোসেন

🌍 “জলবায়ু নয়, বদল হোক আমাদের মনোভাব!” ✍️ মো. আকবর হোসেন


🌍 জলবায়ু পরিবর্তনের আমাদের করণীয়,  ✍️ মো. আকবর হোসেন

জলবায়ু পরিবর্তন আজ বৈশ্বিক সংকট। উষ্ণতা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, খরা, ঘূর্ণিঝড়—এসবই এর ভয়াবহতা প্রতিনিয়ত আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আজ শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণও জরুরি।

বিশ্বের ধনী ও উন্নত দেশগুলো যতটা দায়ী শিল্পায়নের জন্য, ততটাই দায় আমাদেরও নিজেদের অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার জন্য। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের নিতে হবে কিছু তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ।
 

করণীয়:

১️. ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা গড়ে তোলা:

প্রতিদিনকার ছোট ছোট অভ্যাস—বিদ্যুৎ অপচয় না করা, পানির অপচয় রোধ, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো ইত্যাদি—বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

২️. গাছ লাগানো ও সবুজায়ন:

প্রতিটি মানুষ বছরে অন্তত ২টি গাছ লাগালে দেশের বনায়ন বাড়বে, বায়ু থাকবে বিশুদ্ধ, জলবায়ুর ভারসাম্য কিছুটা হলেও ফিরে আসবে।
 

৩। নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে অগ্রসর হওয়া:

সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ—এইসব পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

৪️. প্রশাসনিক ও সামাজিক উদ্যোগ:

শিল্পকারখানার নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলবায়ু শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৫️. শিশু-কিশোরদের পরিবেশ চেতনায় উদ্বুদ্ধ করা:

পরবর্তী প্রজন্মকে এখন থেকেই পরিবেশ সচেতনতায় শিক্ষিত করলে ভবিষ্যতে এর সুফল পাওয়া যাবে। 

জলবায়ু পরিবর্তনের দায় শুধু বড় দেশগুলোর নয়। আমাদের প্রত্যেকের জীবনধারায় পরিবর্তন আনাই পারে এই পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করে তুলতে। আমরা যদি এখনই না জাগি, তাহলে আগামী প্রজন্মের কাছে দায়ী থাকতে হবে আমাদেরই।


“জলবায়ু নয়, বদল হোক আমাদের মনোভাব!”


মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫

 প্রিয়পাতা ও Green Stem এর মধ্যে ব্যবসায়িক সমঝোতা: ইনডোর প্লান্টে নতুন মাত্রা

প্রিয়পাতা ও Green Stem এর মধ্যে ব্যবসায়িক সমঝোতা: ইনডোর প্লান্টে নতুন মাত্রা

 

আজ রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের জেনেটিক প্লাজায় অনুষ্ঠিত হলো মাসিক পত্রিকা প্রিয়পাতা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ Green Stem Indoor Plants Shop এর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সমঝোতা চুক্তি।

প্রিয়পাতার সম্পাদক নাসরীন সুলতানা এবং Green Stem-এর স্বত্বাধিকারী ও পরিবেশ আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী জনাব ইবনুল সাঈদ রানা (Ibnul Syed) উভয়ে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে উভয় পক্ষ তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে পরস্পরকে সহযোগিতা করার এবং একটি সুন্দর, সবুজ ও নান্দনিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Green Stem হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যারা প্রথমবারের মতো সিরামিক টবে ইনডোর প্লান্ট সরবরাহ শুরু করেছে। এই অভিনব উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে। সিরামিক টবের ব্যবহার যেমন বাড়ছে, তেমনি গৃহসজ্জায় ইনডোর গাছ রাখার সংস্কৃতি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে প্রিয়পাতা সম্পাদক নাসরীন সুলতানা বলেন, “প্রতিটি ঘরে যেন একটি করে ইনডোর প্লান্ট থাকে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি আরও বলেন, “প্রিয়পাতার সার্কুলেশন এবং নান্দনিক প্রকাশনা ভবিষ্যতে আরও সবার প্রিয় হয়ে উঠবে।”

এদিকে Green Stem-এর স্বত্বাধিকারী এবং প্রাণ-প্রকৃতি-প্রতিবেশ-পরিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির মুখপাত্র ইবনুল সাঈদ রানা বলেন, “বাংলাদেশে পরিবেশ উন্নয়নে আমরা নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই। প্রিয়পাতা ও Green Stem মিলে এই পথে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।”

এই সমঝোতা চুক্তি নিঃসন্দেহে পরিবেশ সচেতনতা, নান্দনিকতা এবং গৃহসজ্জার আধুনিক চর্চাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।