সাংগঠনিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সাংগঠনিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ | ৩১ জানুয়ারি ২০২৫

 শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বকে সামনে রেখে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রঙিন সাজ, শিশুদের হাসি, উচ্ছ্বাস আর প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি যেন এক আনন্দের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা, সাহস ও আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হলে আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে তাদের মুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা শিশুদের শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বগুণ ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পথ সুগম করে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা মুহাম্মাদ নূরুস সাবা ও আনোয়ার হোসেন শিবলু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান ও SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান এবং পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর।

আরও উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার প্রধান কান্তা শেখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন, “এই শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ। তাদের মুখের হাসি আর আত্মবিশ্বাস আমাদের সব পরিশ্রমকে সার্থক করে।”এখানে স্থায়ী বিদ্যালয় ক্যাম্পাস করার ইচ্ছে আছে সবার সহযোগিতা পেলেই সম্ভব।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা মুহাম্মাদ নূরুস সাবা বলেন,
“এই আয়োজন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিশুদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে তোলার এক অনন্য উদ্যোগ। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন যে নিষ্ঠা ও ভালোবাসা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তা সত্যিই অনুকরণীয়। সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা পেলে এই শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং একটি স্থায়ী বিদ্যালয় ক্যাম্পাস গড়ে তোলার স্বপ্নও বাস্তবায়িত হবে।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,
“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষা ও খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ, সচেতন ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের সবাই এগিয়ে এলে এই শিশুদের জন্য একটি স্থায়ী বিদ্যালয় ক্যাম্পাস গড়ে তোলাও অবশ্যই সম্ভব।” 

এদিকে SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন,
“এই আয়োজন প্রমাণ করে—সঠিক যত্ন ও ভালোবাসা পেলে প্রতিটি শিশুই এগিয়ে যেতে পারে।”

এই আয়োজন যেন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগানোর এক অনন্য অনুপ্রেরণা।

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

🏆 বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

🏆 বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

আগারগাঁও প্রতিনিধিঃ
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দৌড়, লং জাম্প, বল নিক্ষেপসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। শিশুদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, হাসি ও উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্যমুহাম্মাদ নূরুস সাবা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, সমাজসেবক মোঃ রেজাউল ইসলাম সুমন, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর এবং বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, সোহাগী আক্তার, পপি আক্তারনাজমুল হুজুর। এসময় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,

“শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

এসময় উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,

“শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ আরও সুদৃঢ় হয়।”

মুহাম্মাদ নূরুস সাবা বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এমন আয়োজন প্রশংসনীয় এবং সমাজের সবাইকে এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত।”

ডা. এস এম হাবিবুর রহমান বলেন,

“শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,

“শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই একটি সুন্দর সমাজ গড়ার প্রথম ধাপ।”

এদিকে SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান শিক্ষার্থীদের এমন প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

 নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

 নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি:
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন নরসিংদী শাখায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আয়োজিত এই উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক নুরুরস সাবা মিঠু এবং স্টুডেন্ট এডুকেশনাল এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষক শান্তা শেখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে বই বিতরণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

 নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত কম্বল বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ নরসিংদী জেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। নুরুস সাবা মিঠু ও তাঁর টিম এর সহযোগিতায় স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও তারা দেশের ৬৪ জেলায় ঘরে ঘরে গিয়ে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে চিহ্নিত করে সরাসরি তাদের হাতে কম্বল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক নুরুস সাবা মিঠু, স্টুডেন্ট এডুকেশনাল এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষক শান্তা শেখসহ অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কম্বল বিতরণকালে বক্তব্যে সমাজসেবক নুরুস সাবা মিঠু বলেন, “এই এলাকায় ভবিষ্যতে আরও কিছু মানবিক কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে টিউবওয়েল স্থাপনসহ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে।”

নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকার শীতার্ত ও অ
সহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণকালে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। শীতের তীব্রতায় কষ্টে থাকা মানুষের জন্য এ উদ্যোগ কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে জানান উপকারভোগীরা।

আয়োজকরা জানান, এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; বরং মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় এ ধরনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

 লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

লেখক ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ পরিষদ-এর কর্ণদার তরিকুল ইসলাম

লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন পেলেন ‘লেখক সম্মাননা ২০২৫’। গতকাল ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে এক বর্ণিল ও আনন্দঘন পরিবেশে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ প্রকাশনী ও প্রগতি সাহিত্য পরিষদ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য সাহিত্যিক মিলনমেলায়। দেশবরেণ্য কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও গুণীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, শ্রদ্ধেয় কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব ও নতুন প্রজন্মের লেখকদের এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

এ সময় প্রধান আলোচক হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ। তিনি বলেন, “সাহিত্য সমাজের দর্পণ। যারা নিরলসভাবে সাহিত্য ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের সম্মাননা দেওয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণার।”


সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মো. আকবর হোসেন বলেন,
“এই সম্মাননা আমাকে আরও দায়বদ্ধ করবে সাহিত্য ও মানবিক কাজে নিজেকে উৎসর্গ করতে। আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

উল্লেখ্য, সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনে ধারাবাহিক অবদান রাখায় লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেনকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।  

প্রগতি সাহিত্য পরিষদ-এর কর্ণদার তরিকুল ইসলাম বলে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ আমাদের ডাকে আপনারা সারা দিয়েছেন এবং আমার পক্ষ থেকে সবাইকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাচ্ছি। 
তিনি বলেন মানুষ বড় হয় তার গুণ দিয়ে। আমাদের দেশে গ্রামে গঞ্জে অনেক লেখক আছে কিন্তু আমরা রাজধানিতে থেকে সেই কবিদের খোজখবর নেই না, আমার উদ্যেশ্য ছিলো সেই কবিদের কিভাবে সামনে নিয়ে আসবো আর সেই লক্ষ্য থেকেই আমার এই আয়োজন। 

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

 নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা


 

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করতে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন। বই বিতরণ অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের চোখে-মুখে ছিল আনন্দ আর নতুন স্বপ্নের ঝিলিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য।

সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক সোহাগী আক্তার, পপি আক্তার ও নাজুমুল হুজুর

নুষ্ঠান পরিচালনয়ায় ছিলেন  স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর।

অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেন এবং তাদের শুভকামনা জানান।

এ সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান হাতিয়ার। নতুন বই শুধু পড়ালেখার উপকরণ নয়, এটি শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় আনতেই আমাদের এই নিরন্তর প্রয়াস।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। নিয়মিত বই বিতরণ  ও শিক্ষা সহায়তার মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলাই স্বদেশ মৃত্তিকার লক্ষ্য।

বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, নতুন বই পেয়ে তাদের পড়ালেখার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনকে ধন্যবাদ জানান।

 

উল্লেখ্য, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে আসছে। শিক্ষা বিস্তারে এমন মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

 

স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শ্রেষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেছে ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’। শিক্ষায় উৎসাহ ও মেধার স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ও নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের সহসভাপতি ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন SRA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহবাল আহমেদ জনি, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব বাবুল হোসেন ও আজাদ, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার।

এসময় স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেধা ও সম্ভাবনাকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,
“শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো মানেই ভবিষ্যতের পাশে দাঁড়ানো। মেধাবীদের স্বীকৃতি দিলে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবে।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,
“শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, নৈতিক প্রেরণা ও সম্মানই একটি শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আজকের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মনে দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করবে।”

 

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

 সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা

অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’ অংশগ্রহণ করে স্বদেশ মৃত্তিকা 

‘স্বপ্ন সারথি হই—নিজে বদলালেই দেশ বদলাবে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সাফল্যের অনুপ্রেরণামূলক গল্প তুলে ধরতে
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল

সম্মেলনের আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
আমাদের পাঠশালা, ছায়াতল বাংলাদেশ, নতুনের শান্তি নিবাস, মজার ইশকুল, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, হাসিমুখ সমাজকল্যাণ সংস্থা, আপন ফাউন্ডেশন, ছওয়াব ফাউন্ডেশন, ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ ও ঈদগাহ গার্লস হাই স্কুল, দিনাজপুর।

উদ্বোধনী বক্তব্যে আবদুল আউয়াল বলেন,

“আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আজকের পথশিশুরাও এই সমাজেরই সন্তান। অবহেলা আর সুযোগের অভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছে, অন্ধকার জগতে হারিয়ে যাচ্ছে, এমনকি অপরাধের পথে জড়িয়ে পড়ছে। অথচ সুযোগ পেলে তারাও হতে পারে সমাজের সম্পদ।”

তিনি আরও বলেন,
“আমরা যারা রাষ্ট্রের টাকায় পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, তারা আসলে জনগণের কাছে ঋণী। সেই ঋণ শোধ করার সবচেয়ে বাস্তব উপায় হলো জীবিত অবস্থায় সমাজের জন্য কিছু করা। নিজের সন্তানের মতো অন্তত একটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুর দায়িত্ব নিলে সমাজ বদলাতে সময় লাগবে না।”

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা করুণা নয়—চায় সুযোগ। একটি সুযোগই পারে একটি জীবন বদলে দিতে, একটি পরিবারকে আলোকিত করতে। স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন সেই বিশ্বাস থেকেই কাজ করে যাচ্ছে—যেখানে স্বপ্ন বাঁচে, মানুষ গড়ে ওঠে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক তাসলিমা আক্তার,
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সিনিয়ার শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক নাজমুল হোসাইন, পপি আক্তার, পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সম্মেলনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনের গল্প, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য উপস্থিত সবার মাঝে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে। আয়োজকরা জানান, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—কারণ একটি স্বপ্নই পারে একটি দেশ বদলাতে


 


সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নোয়াখালীর চরাঞ্চলে স্বদেশ মৃত্তিকার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম

নোয়াখালীর চরাঞ্চলে স্বদেশ মৃত্তিকার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম

 নোয়াখালীর চরাঞ্চলে  মিঠু সাবাহ ও তার টিম সর্বাত্মক সহযোগিতায়  স্বদেশ মৃত্তিকার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ।


 নোয়াখালীর সোলেমান বাজারে ২৫ পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দিলো স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা

নোয়াখালীর প্রত্যন্ত চরাঞ্চল সোলেমান বাজারে শুরু হয়েছে স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ২০২৫–২৬
০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায় ২৫টি পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন

  • সুইডেন থেকে আগত জেনিন

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন শিবলু

  •  সি আর ডি গ্লোবাল এর প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি

  • সি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গোলাম রাহমান

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বাবুল হোসেন

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন বলেন—
“অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। শীতপ্রবাহে যাতে কেউ কষ্ট না পায়, সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই উদ্যোগ। ইনশাআল্লাহ, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পুরো শীতকাল জুড়ে আমাদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা আমাদের পথ চলাকে আরও শক্তিশালী করে।”

🤝 সহযোগিতায়ঃ মিঠু সাবাহ ও তার টিম  সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

🌿 আয়োজনেঃ স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা

🔔 এই মানবিক কার্যক্রমে আপনিও অংশগ্রহণ করতে পারেন

শীতের সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।
আপনার ছোট্ট সহযোগিতাও কারো জীবনে বড় উষ্ণতা এনে দিতে পারে।
যোগ দিন মানবিক এই উদ্যোগে—
একসাথে আমরা গড়ে তুলতে পারি আরও দয়াময় সমাজ।

 

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



ঢাকা: কড়াইল বস্তির সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে আজ পরিদর্শনে যান স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন এবং সিও আকলিমা আক্তার সাথি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন, পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেন এবং সহায়তার আশ্বাস দেন।

অগ্নিকাণ্ডে সব কিছু হারিয়ে ফেলা এক মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান—
“আমার স্বামী আমায় ছেড়ে চলে গেছে। আমি দুই সন্তানকে নিয়ে এই বস্তিতে থাকি। অফিসে থাকা অবস্থায় খবর পাই আগুন লেগেছে। ছুটে এসে দেখি বাচ্চা দু’জন ভালো আছে—এটাই একমাত্র সান্ত্বনা। কিন্তু কয়েকটা পোড়া টিন ছাড়া আর কিছুই রক্ষা পায়নি। এখন দুই সন্তান নিয়ে খোলা মাঠেই রাত কাটাতে হয়।”

চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন বলেন,
“কড়াইলের এই মানুষগুলো আমাদের পরিবারের অংশ। তাদের এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং আমাদের সংস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

সিও আকলিমা আক্তার সাথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সান্ত্বনা দিয়ে জানান—
“শীতের সময় খোলা মাঠে রাত কাটানো অত্যন্ত কষ্টের। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পোশাক, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করছি।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

ঢাকা: স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও অর্থবহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শিক্ষকবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং সততা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


সভাপতির বক্তব্যে স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন এর প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীই আমাদের শক্তি। তাদের নৈতিক, মানসিক ও জ্ঞানগত উন্নয়নেই আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা। আজ যারা বিদায় নিচ্ছে তারা ভবিষ্যতে দেশের অহংকার হবে—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।”


এ বছরের আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভালোবাসার উপহার। ৫ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের জন্য একটি সুন্দর বুক সেলফ উপহার দেন, যা শিক্ষা ও পাঠাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে স্থাপন করা হবে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে প্রশংসা জানানো হয়।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান,


ইঞ্জিনিয়ার অরবিন্দ আদিত্য

 
বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম,


সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তারসহ বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।


সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, যার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।


পরে কেক কাটা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নাস্তা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। পরিশেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

নরসিংদী:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায়  নরসংদীর রায়পুরা বালুয়াকান্দীতে  অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

 জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক, 

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে ইচ্ছাশক্তি পাবলিকেশন প্রকাশিত ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ নামের যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মৌলভীবাজারের জুড়ীতে।

রোববার (১৯ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর ২টায় জুড়ী উপজেলার সানাবিল লাইব্রেরি অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টারে আয়োজন করা হয় এ অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন বইয়ের সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম আল-আজিম
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক জুয়েল আহমদ
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইমরান হোসেন মনিয়ার, জুড়ী পূর্ব উপজেলা সভাপতি রুমেল আহমদ, সেক্রেটারি জাবির হোসাইন, প্রচার সম্পাদক খালেদ মাসুদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাব্যগ্রন্থের লেখকবৃন্দ — মুশতাক আহমদ শাফিয়ান, মোঃ শরিফ উদ্দিন, হাঃ রেদওয়ানুল মাহবুব, নুরুল ইসলাম রোহিন, এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, পাঠক ও সাহিত্যপ্রেমীরা।

“জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা” কাব্যগ্রন্থে স্থান পাওয়া লেখকরা হলেন —
আশরাফুল ইসলাম আল-আজিম, আল আমিন গাজী, মুহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম, শাহ মোহাম্মদ আজিজ উল্লাহ, ফাতেমা আক্তার শ্যামলী, মোঃ শরিফ উদ্দিন, আব্দুল মাজেদ নুরুন্নবী, শেখ জিল্লুর রহমান স্বপন, মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম আনছারী, জান্নাত মাহি, দেবদাস চন্দ্র দাস, মুশতাক আহমদ শাফিয়ান, নুরুল ইসলাম রোহিন, শেখ মোহাম্মদ আবুল কাশেম, সৃজনী আচার্য নীলা, শাহ জাহেদ আহমদ, আল সেলিম আহমেদ, আল-মাসউদ, মাহবুব মাসুদ ও ইয়াসমিন আক্তার।

অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “সাহিত্য সমাজ ও জাতি গঠনের অন্যতম শক্তি। তরুণ প্রজন্মের লেখকদের সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে।”

পরিশেষে সম্পাদক ও নির্বাচিত লেখকদের হাতে সাহিত্য সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এরপর উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে স্বদেশ মৃত্তিকা স্কুলে দোয়া মাহফিল

ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে স্বদেশ মৃত্তিকা স্কুলে দোয়া মাহফিল

 ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উপলক্ষে স্বদেশ মৃত্তিকা স্কুলে দোয়া মাহফিল


ঢাকা: শনিবার  (৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫) ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন শাখায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অংশগ্রহণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনের উদ্যোগ নেয় হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন।

দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা উপদেষ্টা ডা. হাবিবুর রহমান, আল মাইজভান্ডারি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন।হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিপলু ও আমজাদ হোসেন সুমন, নির্বাহী সদস্য মনির হোসেন সোহেল।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম ও সাদমান সাব্বির এবং শিক্ষক সোহাগী আক্তার, জাবেদ হোসেন ও নুপুর আক্তার।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মানবতার মুক্তির দিশারি। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই সমাজে শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। শিক্ষার্থীরা ইসলামের শান্তির বাণী এবং নবীর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। অভিভাবকরা এ আয়োজনের জন্য আয়োজক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

 সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ

সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ

 সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ


নরসিংদী, ২৭ আগস্ট ২০২৫:
আজ স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল নোটবুক ও একবেলা আহার বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার প্রতি শিশুদের আগ্রহ বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, মিডিয়া অফিসার নুপুর আক্তার এবং একাউন্টস অফিসার সাদমান সাব্বির।

এসময় নরসিংদী শাখার প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষকবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,
“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা এবং তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে স্বদেশ মৃত্তিকা সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে এই শিশুরা আরও স্বপ্ন দেখতে এবং তা পূরণ করতে সক্ষম হবে।”

আয়োজকরা জানান, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা নিয়মিতভাবে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সামগ্রী ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণসহ বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।





রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫

৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে উদযাপন

৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে উদযাপন

 

৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে উদযাপন

 

Leo Club of Dhaka Aristocrat এবং Leo Club of Aristocrat Sunshine, স্পন্সরকৃত Lions Club of Dhaka AristocratLions Club of Dhaka Banani Model Town-এর উদ্যোগে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর সহযোগিতায় আয়োজিত হলো দিনব্যাপী শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠান।

২৩ আগস্ট, ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো লিও আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এ বছর পালিত হলো ৫২তম বাংলাদেশ লিও ডে

অনুষ্ঠানে পাঁচটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়—
১. কুরআন তেলাওয়াত
২. গান
৩. নৃত্য
৪. কবিতা আবৃত্তি
৫. চিত্রাঙ্কন

শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শন করে। বিচারকমণ্ডলীর সামনে প্রতিযোগীরা দুর্দান্ত পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। প্রতিটি ক্যাটাগরির সেরা প্রতিযোগীদের পুরস্কৃত করা হয়, যাতে তারা অনুপ্রাণিত হয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে পারে এবং জীবনে এগিয়ে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে একটি কেক কাটা হয় এবং ১২০ জন অংশগ্রহণকারীর জন্য সুস্বাদু মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

পুরো অনুষ্ঠানটি সম্মানিত অতিথিদের উপস্থিতিতে আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উপস্থিত ছিলেন—

  • Past District Governor Ln. Halen Akhter Nasrin PMJF

  • Past District Governor Ln. Md. Lutfor Rahman MJF

  • Spouse of First Vice Governor (24-25) Ln. Rozina Shaheen Muna

  • Second Vice Governor (24-25) Ln. Dr. Khandaker Mazharul Anwar MJF

  • Region Chairperson (HQ) (24-25) Ln. Rafiqul Bari Mukta

  • Cabinet Secretary (23-24) Ln. Ashiquzzaman Chowdhury Emon

ক্লাবের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন—

  • Leo Club Advisor Ln. Shireen Akhter Ruby

  • Lions Club President Ln. Roksana Akhter

  • Lions Club Secretary Ln. Asma Akter

এছাড়াও স্বদেশ মৃত্তিকা থেকে উপস্থিত ছিলেন—

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন

  • পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর

  • মিডিয়া অফিসার নুপুর আক্তার

  • শিক্ষক রাশিদা আক্তার, সোহাগী আক্তার ও জাবেদ হোসেন

দুই ক্লাবের ৩০ জন লিওস সদস্য যৌথভাবে অনুষ্ঠানের প্রতিটি ধাপ সুপরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এ অনুষ্ঠানের সব খরচ লিও সদস্যরা নিজেরাই বহন করেছেন, যা তাদের লিও আন্দোলনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও নিবেদনকে প্রকাশ করে।

রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

সুমন-সোলাইমান-রনির নেতৃত্বে কদমতলী থানা সাংবাদিক ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

সুমন-সোলাইমান-রনির নেতৃত্বে কদমতলী থানা সাংবাদিক ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

স্বদেশ সময় প্রতিবেদক 

কদমতলী থানা সাংবাদিক ক্লাবের এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ১ বছরের জন্য ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন উদ্যমী সাংবাদিক ও সুসংগঠক সুমন চৌধুরী (নতুন সময়), সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পেশাদার সাংবাদিক মোঃ সোলাইমান (মানবকণ্ঠ), আর সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কর্মঠ ও পরিচিত মুখ রনি মজুমদার (ভোরের পাতা)।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় কদমতলী থানার রায়েরবাগে ক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সাধারণ সভায় এ কমিটি গঠনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। ক্লাবের সিনিয়র সদস্য ও বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এই কমিটির গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল গত ২৭ জুন অনুষ্ঠিত বার্ষিক ফল উৎসবের। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাই তুহিন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক জাকির মাঝি। সেদিনই উপস্থিত সাংবাদিকদের সম্মতিক্রমে সুমন চৌধুরী ও মোঃ সোলেমানকে যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার সফল বাস্তবায়ন আজ সম্পন্ন হলো।

নবনির্বাচিত ২৩ সদস্যের কমিটি:

সভাপতি: সুমন চৌধুরী (নতুন সময়), সিনিয়র সহ-সভাপতি: হাসান কবির জনি (বিজনেস জার্নাল), সহ-সভাপতি: রুবেল গাজী (CIN টিভি), সাধারণ সম্পাদক: মোঃ সোলেমান (মানবকণ্ঠ), সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: আশরাফ উদ্দিন (আজকের টাইমস), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: ইবনে ফরহাদ তুরাগ (বাংলাদেশের আলো), সাংগঠনিক সম্পাদক: রনি মজুমদার (ভোরের পাতা), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: নুরুন্নবী শরীফ অর্নব (আলোর জগত), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান মিলন (CNN বাংলা টিভি), দপ্তর সম্পাদক: রাকিব হোসেন মিলন (আজকের টাইমস), সাহিত্য, প্রকাশনা ও অর্থ সম্পাদক: বাবলু শেখ (স্বাধীন সংবাদ), আইন সম্পাদক: অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুন্নবী বিপ্লব (সকালের সময়),  তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক: নাসির উদ্দীন মোল্লা ( ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস), সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক: এম এ এইচ মাসুদ (বার্তা বিচিত্রা), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক: শাহজালাল ফারুক (সময়ের কাগজ), সহ-দপ্তর ও আইসিটি সম্পাদক: নয়ন সমাদ্দর রুদ্র (দুর্নীতি সমাচার), প্রচার সম্পাদক: লিটন গাজী (সাহারা টিভি), পাঠাগার সম্পাদক: এস ইসলাম জয় (আমাদের সময় ডটকম), ক্রীড়া সম্পাদক: দীপু ভুঁইয়া (আওয়ার বাংলাদেশ), কার্যনির্বাহী সদস্য: জেসমিন জুঁই (ডেইলি ট্রাইবুনাল), কার্যনির্বাহী সদস্য: মিজানুর রহমান সুমন (আমাদের কণ্ঠ), কার্যনির্বাহী সদস্য: ফারদিন আহমেদ ইমন (নয়াদিগন্ত), কার্যনির্বাহী সদস্য: মোঃ আক্তারুজ্জামান (দৈনিক নিরপেক্ষ)।  

নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সভাপতি সুমন চৌধুরী বলেন, "এই সংগঠন হবে ঢাকা-৪ ও ঢাকা -৫ অঞ্চলের সাংবাদিকদের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।" সাধারণ সম্পাদক মোঃ সোলাইমান জানান, "সবাইকে নিয়ে একটি সক্রিয় ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব দিতে আমরা প্রস্তুত।"

সাংগঠনিক সম্পাদক রনি মজুমদার বলেন, "আমরা মাঠে, মানুষের পাশে, সাংবাদিকের পাশে—এই মূলমন্ত্রে কাজ করব।"

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা নিয়মিত কর্মসূচি, পেশাগত প্রশিক্ষণ আয়োজন, মানবিক সহায়তা এবং সাংবাদিক নির্যাতন মোকাবেলায় আইনি সহায়তা প্রদানের মতো কার্যক্রম বাস্তবায়নে সক্রিয় থাকবেন।

 

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, একবেলা আহার ও অভিভাবক সমাবেশ

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, একবেলা আহার ও অভিভাবক সমাবেশ

ভালোবাসার ছায়ায় শিক্ষার আলো

স্বপ্ন দেখে যারা বইয়ের পাতায়, কলমের আঁচড়ে, সেইসব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মুখে আজ হাসি ফুটেছে—স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার আঙিনায়।

১৯ জুলাই ২০২৫, শনিবার, সকাল ১০টায়
স্থান: স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার আন্তরিক প্রয়াসে অনুষ্ঠিত হলো এক মহতী আয়োজন—শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, একবেলা আহার ও অভিভাবক সমাবেশ।

 
শত শত নিষ্পাপ মুখের আনন্দে মুখর ছিলো পুরো বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

এই আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন, যিনি শুধু একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেননি—নির্বাক শিশুর স্বপ্নে রেখেছেন আশার আলো।

উপস্থিত ছিলেন সংস্থার মহাসচিব তানিয়া শেখ, ভাইস-চেয়ারমযান-জান্নাতুন নাঈম ইরা , যুগ্ম মহাসচিব মো. বাবুল হোসেন, মো. আকবর হোসেন নান্নু, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ এবং শিক্ষকবৃন্দ সান্তা শেখ, সানজিদা আক্তার, রুমিসহ আরও অনেকেই।

অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষার গুরুত্ব, সন্তানদের ভবিষ্যৎ গঠন এবং সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে সংবেদনশীল আলোচনা হয়। শিক্ষকদের হাতে, অভিভাবকদের আশ্বাসে ও অতিথিদের ভালোবাসায় দিনটি হয়ে ওঠে সত্যিকারের "আলোকিত দিন"।

চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন-এর হৃদয়ছোঁয়া বক্তব্য বলেন:

“আজ যখন দেখি, ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের চোখে স্বপ্নের দীপ্তি—তখন মনে হয়, আমাদের পরিশ্রম সার্থক। এই শিশুরা একসময় পথে ঘুরে বেড়াতো, বই খাতা ছিল না, ছিল না কোনো ঠিকানা। আজ তারা স্কুলের বেঞ্চে বসে, কলম ধরে, স্বপ্ন আঁকে।স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন শুধুমাত্র একটি স্কুল নয়—এটি ভালোবাসার প্রতীক, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন।

আমি বিশ্বাস করি, একটা বই, একমুঠো খাবার আর একটু ভালোবাসা যদি দিতে পারি—তবে আমরা একটি প্রজন্ম বদলে দিতে পারবো। আমাদের এই যাত্রায় আপনারা পাশে থাকুন, তাহলেই শিশুগুলো আলোর মুখ দেখবে।”
 

 আকবর হোসেন নান্নু- বলেন :
“এই শিশুদের চোখের দিকে তাকালেই বুঝি, তারা কী চায়—একটু মমতা, একটু সুযোগ, একটু আলোর পথ।
আমরা চেষ্টা করি তাদের সেই পথটা দেখাতে। প্রতিদিন যখন দেখি কেউ একজন নিজের নাম লিখতে শিখেছে, ছোট্ট করে একটা কবিতা বলছে, তখন বুকটা গর্বে ভরে যায়।

এই স্কুল শুধু আমাদের দায়িত্ব নয়, এটা আমাদের হৃদয়ের টান। যতদিন বাঁচি, ততদিন এসব নিষ্পাপ মুখের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাবো।

 ভাইস-চেয়ারমযান-জান্নাতুন নাঈম ইরা বলেন :
আমরা চাই না তারা দয়া পাক, আমরা চাই তারা অধিকার পাক—শিক্ষার অধিকার, ভালো থাকার অধিকার।”

 
এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়—একটি বই, একটি খাতা, একটি কলম আর কিছু ভালোবাসা বদলে দিতে পারে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ। 

বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫

🌍 “জলবায়ু নয়, বদল হোক আমাদের মনোভাব!” ✍️ মো. আকবর হোসেন

🌍 “জলবায়ু নয়, বদল হোক আমাদের মনোভাব!” ✍️ মো. আকবর হোসেন


🌍 জলবায়ু পরিবর্তনের আমাদের করণীয়,  ✍️ মো. আকবর হোসেন

জলবায়ু পরিবর্তন আজ বৈশ্বিক সংকট। উষ্ণতা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, খরা, ঘূর্ণিঝড়—এসবই এর ভয়াবহতা প্রতিনিয়ত আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে যে, মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব আজ শুধু সচেতনতা নয়, বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণও জরুরি।

বিশ্বের ধনী ও উন্নত দেশগুলো যতটা দায়ী শিল্পায়নের জন্য, ততটাই দায় আমাদেরও নিজেদের অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার জন্য। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের নিতে হবে কিছু তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ।
 

করণীয়:

১️. ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা গড়ে তোলা:

প্রতিদিনকার ছোট ছোট অভ্যাস—বিদ্যুৎ অপচয় না করা, পানির অপচয় রোধ, প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো ইত্যাদি—বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

২️. গাছ লাগানো ও সবুজায়ন:

প্রতিটি মানুষ বছরে অন্তত ২টি গাছ লাগালে দেশের বনায়ন বাড়বে, বায়ু থাকবে বিশুদ্ধ, জলবায়ুর ভারসাম্য কিছুটা হলেও ফিরে আসবে।
 

৩। নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে অগ্রসর হওয়া:

সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ—এইসব পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

৪️. প্রশাসনিক ও সামাজিক উদ্যোগ:

শিল্পকারখানার নির্গমন নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়ন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জলবায়ু শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

৫️. শিশু-কিশোরদের পরিবেশ চেতনায় উদ্বুদ্ধ করা:

পরবর্তী প্রজন্মকে এখন থেকেই পরিবেশ সচেতনতায় শিক্ষিত করলে ভবিষ্যতে এর সুফল পাওয়া যাবে। 

জলবায়ু পরিবর্তনের দায় শুধু বড় দেশগুলোর নয়। আমাদের প্রত্যেকের জীবনধারায় পরিবর্তন আনাই পারে এই পৃথিবীকে আরও বাসযোগ্য করে তুলতে। আমরা যদি এখনই না জাগি, তাহলে আগামী প্রজন্মের কাছে দায়ী থাকতে হবে আমাদেরই।


“জলবায়ু নয়, বদল হোক আমাদের মনোভাব!”


মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫

 প্রিয়পাতা ও Green Stem এর মধ্যে ব্যবসায়িক সমঝোতা: ইনডোর প্লান্টে নতুন মাত্রা

প্রিয়পাতা ও Green Stem এর মধ্যে ব্যবসায়িক সমঝোতা: ইনডোর প্লান্টে নতুন মাত্রা

 

আজ রাজধানীর ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের জেনেটিক প্লাজায় অনুষ্ঠিত হলো মাসিক পত্রিকা প্রিয়পাতা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ Green Stem Indoor Plants Shop এর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সমঝোতা চুক্তি।

প্রিয়পাতার সম্পাদক নাসরীন সুলতানা এবং Green Stem-এর স্বত্বাধিকারী ও পরিবেশ আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী জনাব ইবনুল সাঈদ রানা (Ibnul Syed) উভয়ে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে উভয় পক্ষ তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে পরস্পরকে সহযোগিতা করার এবং একটি সুন্দর, সবুজ ও নান্দনিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Green Stem হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যারা প্রথমবারের মতো সিরামিক টবে ইনডোর প্লান্ট সরবরাহ শুরু করেছে। এই অভিনব উদ্যোগ ইতোমধ্যেই সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে। সিরামিক টবের ব্যবহার যেমন বাড়ছে, তেমনি গৃহসজ্জায় ইনডোর গাছ রাখার সংস্কৃতি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে প্রিয়পাতা সম্পাদক নাসরীন সুলতানা বলেন, “প্রতিটি ঘরে যেন একটি করে ইনডোর প্লান্ট থাকে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তিনি আরও বলেন, “প্রিয়পাতার সার্কুলেশন এবং নান্দনিক প্রকাশনা ভবিষ্যতে আরও সবার প্রিয় হয়ে উঠবে।”

এদিকে Green Stem-এর স্বত্বাধিকারী এবং প্রাণ-প্রকৃতি-প্রতিবেশ-পরিবেশ রক্ষা জাতীয় কমিটির মুখপাত্র ইবনুল সাঈদ রানা বলেন, “বাংলাদেশে পরিবেশ উন্নয়নে আমরা নতুন মাত্রা যোগ করতে চাই। প্রিয়পাতা ও Green Stem মিলে এই পথে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।”

এই সমঝোতা চুক্তি নিঃসন্দেহে পরিবেশ সচেতনতা, নান্দনিকতা এবং গৃহসজ্জার আধুনিক চর্চাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।