রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ | ৩১ জানুয়ারি ২০২৫

 শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বকে সামনে রেখে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রঙিন সাজ, শিশুদের হাসি, উচ্ছ্বাস আর প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি যেন এক আনন্দের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা, সাহস ও আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হলে আনন্দে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে তাদের মুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা শিশুদের শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বগুণ ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে। নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পথ সুগম করে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন  

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা মুহাম্মাদ নূরুস সাবা ও আনোয়ার হোসেন শিবলু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান ও SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান এবং পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর।

আরও উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, নরসিংদী শাখার প্রধান কান্তা শেখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ। শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন, “এই শিশুরাই আগামীর বাংলাদেশ। তাদের মুখের হাসি আর আত্মবিশ্বাস আমাদের সব পরিশ্রমকে সার্থক করে।”এখানে স্থায়ী বিদ্যালয় ক্যাম্পাস করার ইচ্ছে আছে সবার সহযোগিতা পেলেই সম্ভব।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা মুহাম্মাদ নূরুস সাবা বলেন,
“এই আয়োজন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি শিশুদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও স্বপ্ন দেখার সাহস জাগিয়ে তোলার এক অনন্য উদ্যোগ। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন যে নিষ্ঠা ও ভালোবাসা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে, তা সত্যিই অনুকরণীয়। সমাজের সম্মিলিত সহযোগিতা পেলে এই শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং একটি স্থায়ী বিদ্যালয় ক্যাম্পাস গড়ে তোলার স্বপ্নও বাস্তবায়িত হবে।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,
“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষা ও খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ, সচেতন ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এমন আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের সবাই এগিয়ে এলে এই শিশুদের জন্য একটি স্থায়ী বিদ্যালয় ক্যাম্পাস গড়ে তোলাও অবশ্যই সম্ভব।” 

এদিকে SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন,
“এই আয়োজন প্রমাণ করে—সঠিক যত্ন ও ভালোবাসা পেলে প্রতিটি শিশুই এগিয়ে যেতে পারে।”

এই আয়োজন যেন শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, বরং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগানোর এক অনন্য অনুপ্রেরণা।

রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

🏆 বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

🏆 বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

আগারগাঁও প্রতিনিধিঃ
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দৌড়, লং জাম্প, বল নিক্ষেপসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। শিশুদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, হাসি ও উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্যমুহাম্মাদ নূরুস সাবা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, সমাজসেবক মোঃ রেজাউল ইসলাম সুমন, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর এবং বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, সোহাগী আক্তার, পপি আক্তারনাজমুল হুজুর। এসময় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,

“শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

এসময় উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,

“শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ আরও সুদৃঢ় হয়।”

মুহাম্মাদ নূরুস সাবা বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এমন আয়োজন প্রশংসনীয় এবং সমাজের সবাইকে এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত।”

ডা. এস এম হাবিবুর রহমান বলেন,

“শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,

“শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই একটি সুন্দর সমাজ গড়ার প্রথম ধাপ।”

এদিকে SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান শিক্ষার্থীদের এমন প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

 নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

 নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি:
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন নরসিংদী শাখায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আয়োজিত এই উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক নুরুরস সাবা মিঠু এবং স্টুডেন্ট এডুকেশনাল এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষক শান্তা শেখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে বই বিতরণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

 নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত কম্বল বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ নরসিংদী জেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। নুরুস সাবা মিঠু ও তাঁর টিম এর সহযোগিতায় স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও তারা দেশের ৬৪ জেলায় ঘরে ঘরে গিয়ে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে চিহ্নিত করে সরাসরি তাদের হাতে কম্বল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক নুরুস সাবা মিঠু, স্টুডেন্ট এডুকেশনাল এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষক শান্তা শেখসহ অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কম্বল বিতরণকালে বক্তব্যে সমাজসেবক নুরুস সাবা মিঠু বলেন, “এই এলাকায় ভবিষ্যতে আরও কিছু মানবিক কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে টিউবওয়েল স্থাপনসহ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে।”

নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকার শীতার্ত ও অ
সহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণকালে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। শীতের তীব্রতায় কষ্টে থাকা মানুষের জন্য এ উদ্যোগ কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে জানান উপকারভোগীরা।

আয়োজকরা জানান, এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; বরং মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় এ ধরনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

 লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

লেখক ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ পরিষদ-এর কর্ণদার তরিকুল ইসলাম

লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন পেলেন ‘লেখক সম্মাননা ২০২৫’। গতকাল ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে এক বর্ণিল ও আনন্দঘন পরিবেশে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ প্রকাশনী ও প্রগতি সাহিত্য পরিষদ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য সাহিত্যিক মিলনমেলায়। দেশবরেণ্য কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও গুণীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, শ্রদ্ধেয় কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব ও নতুন প্রজন্মের লেখকদের এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

এ সময় প্রধান আলোচক হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ। তিনি বলেন, “সাহিত্য সমাজের দর্পণ। যারা নিরলসভাবে সাহিত্য ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের সম্মাননা দেওয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণার।”


সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মো. আকবর হোসেন বলেন,
“এই সম্মাননা আমাকে আরও দায়বদ্ধ করবে সাহিত্য ও মানবিক কাজে নিজেকে উৎসর্গ করতে। আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

উল্লেখ্য, সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনে ধারাবাহিক অবদান রাখায় লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেনকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।  

প্রগতি সাহিত্য পরিষদ-এর কর্ণদার তরিকুল ইসলাম বলে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ আমাদের ডাকে আপনারা সারা দিয়েছেন এবং আমার পক্ষ থেকে সবাইকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাচ্ছি। 
তিনি বলেন মানুষ বড় হয় তার গুণ দিয়ে। আমাদের দেশে গ্রামে গঞ্জে অনেক লেখক আছে কিন্তু আমরা রাজধানিতে থেকে সেই কবিদের খোজখবর নেই না, আমার উদ্যেশ্য ছিলো সেই কবিদের কিভাবে সামনে নিয়ে আসবো আর সেই লক্ষ্য থেকেই আমার এই আয়োজন। 

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

 নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা


 

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করতে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন। বই বিতরণ অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের চোখে-মুখে ছিল আনন্দ আর নতুন স্বপ্নের ঝিলিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য।

সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক সোহাগী আক্তার, পপি আক্তার ও নাজুমুল হুজুর

নুষ্ঠান পরিচালনয়ায় ছিলেন  স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর।

অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেন এবং তাদের শুভকামনা জানান।

এ সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান হাতিয়ার। নতুন বই শুধু পড়ালেখার উপকরণ নয়, এটি শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় আনতেই আমাদের এই নিরন্তর প্রয়াস।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। নিয়মিত বই বিতরণ  ও শিক্ষা সহায়তার মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলাই স্বদেশ মৃত্তিকার লক্ষ্য।

বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, নতুন বই পেয়ে তাদের পড়ালেখার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনকে ধন্যবাদ জানান।

 

উল্লেখ্য, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে আসছে। শিক্ষা বিস্তারে এমন মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

 

স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শ্রেষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেছে ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’। শিক্ষায় উৎসাহ ও মেধার স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ও নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের সহসভাপতি ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন SRA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহবাল আহমেদ জনি, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব বাবুল হোসেন ও আজাদ, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার।

এসময় স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেধা ও সম্ভাবনাকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,
“শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো মানেই ভবিষ্যতের পাশে দাঁড়ানো। মেধাবীদের স্বীকৃতি দিলে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবে।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,
“শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, নৈতিক প্রেরণা ও সম্মানই একটি শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আজকের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মনে দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করবে।”

 

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

 সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা

অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’ অংশগ্রহণ করে স্বদেশ মৃত্তিকা 

‘স্বপ্ন সারথি হই—নিজে বদলালেই দেশ বদলাবে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সাফল্যের অনুপ্রেরণামূলক গল্প তুলে ধরতে
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল

সম্মেলনের আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
আমাদের পাঠশালা, ছায়াতল বাংলাদেশ, নতুনের শান্তি নিবাস, মজার ইশকুল, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, হাসিমুখ সমাজকল্যাণ সংস্থা, আপন ফাউন্ডেশন, ছওয়াব ফাউন্ডেশন, ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ ও ঈদগাহ গার্লস হাই স্কুল, দিনাজপুর।

উদ্বোধনী বক্তব্যে আবদুল আউয়াল বলেন,

“আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আজকের পথশিশুরাও এই সমাজেরই সন্তান। অবহেলা আর সুযোগের অভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছে, অন্ধকার জগতে হারিয়ে যাচ্ছে, এমনকি অপরাধের পথে জড়িয়ে পড়ছে। অথচ সুযোগ পেলে তারাও হতে পারে সমাজের সম্পদ।”

তিনি আরও বলেন,
“আমরা যারা রাষ্ট্রের টাকায় পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, তারা আসলে জনগণের কাছে ঋণী। সেই ঋণ শোধ করার সবচেয়ে বাস্তব উপায় হলো জীবিত অবস্থায় সমাজের জন্য কিছু করা। নিজের সন্তানের মতো অন্তত একটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুর দায়িত্ব নিলে সমাজ বদলাতে সময় লাগবে না।”

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা করুণা নয়—চায় সুযোগ। একটি সুযোগই পারে একটি জীবন বদলে দিতে, একটি পরিবারকে আলোকিত করতে। স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন সেই বিশ্বাস থেকেই কাজ করে যাচ্ছে—যেখানে স্বপ্ন বাঁচে, মানুষ গড়ে ওঠে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক তাসলিমা আক্তার,
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সিনিয়ার শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক নাজমুল হোসাইন, পপি আক্তার, পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সম্মেলনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনের গল্প, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য উপস্থিত সবার মাঝে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে। আয়োজকরা জানান, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—কারণ একটি স্বপ্নই পারে একটি দেশ বদলাতে


 


মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

 আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই

ঢাকা: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় ফজরের নামাজের পর রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বিএনপির মিডিয়া সেল এবং দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পৃথক পোস্টে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। পোস্টে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং জানায়, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, নাতনি জাইমা রহমান, পরিবারের অন্যান্য সদস্য এবং বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনি জটিলতা ও আর্থ্রাইটিসসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে তিনি একটি বিরল রেকর্ডের অধিকারী—কখনো কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। পাঁচটি নির্বাচনে ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রতিটিতেই বিজয়ী হন তিনি।

১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম নেওয়া খালেদা জিয়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি বিএনপির নেতৃত্বে উঠে এসে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বেই ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান ত্বরান্বিত হয় এবং ১৯৯১ সালে বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে।

গ্রেফতার, কারাবাস, মামলা ও রাজনৈতিক নির্যাতনের মুখেও তিনি কখনো আপস করেননি। দৃঢ়তা ও সংগ্রামের প্রতীক হয়ে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য অধ্যায় রচনা করে গেছেন।

সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

নোয়াখালীর চরাঞ্চলে স্বদেশ মৃত্তিকার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম

নোয়াখালীর চরাঞ্চলে স্বদেশ মৃত্তিকার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম

 নোয়াখালীর চরাঞ্চলে  মিঠু সাবাহ ও তার টিম সর্বাত্মক সহযোগিতায়  স্বদেশ মৃত্তিকার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ।


 নোয়াখালীর সোলেমান বাজারে ২৫ পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দিলো স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা

নোয়াখালীর প্রত্যন্ত চরাঞ্চল সোলেমান বাজারে শুরু হয়েছে স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম ২০২৫–২৬
০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে স্থানীয় দরিদ্র ও অসহায় ২৫টি পরিবারের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন

  • সুইডেন থেকে আগত জেনিন

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন শিবলু

  •  সি আর ডি গ্লোবাল এর প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি

  • সি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান গোলাম রাহমান

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব মোঃ বাবুল হোসেন

  • স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ আকবর হোসেন বলেন—
“অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। শীতপ্রবাহে যাতে কেউ কষ্ট না পায়, সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই উদ্যোগ। ইনশাআল্লাহ, প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পুরো শীতকাল জুড়ে আমাদের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা আমাদের পথ চলাকে আরও শক্তিশালী করে।”

🤝 সহযোগিতায়ঃ মিঠু সাবাহ ও তার টিম  সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

🌿 আয়োজনেঃ স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা

🔔 এই মানবিক কার্যক্রমে আপনিও অংশগ্রহণ করতে পারেন

শীতের সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।
আপনার ছোট্ট সহযোগিতাও কারো জীবনে বড় উষ্ণতা এনে দিতে পারে।
যোগ দিন মানবিক এই উদ্যোগে—
একসাথে আমরা গড়ে তুলতে পারি আরও দয়াময় সমাজ।

 

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



ঢাকা: কড়াইল বস্তির সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে আজ পরিদর্শনে যান স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন এবং সিও আকলিমা আক্তার সাথি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন, পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেন এবং সহায়তার আশ্বাস দেন।

অগ্নিকাণ্ডে সব কিছু হারিয়ে ফেলা এক মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান—
“আমার স্বামী আমায় ছেড়ে চলে গেছে। আমি দুই সন্তানকে নিয়ে এই বস্তিতে থাকি। অফিসে থাকা অবস্থায় খবর পাই আগুন লেগেছে। ছুটে এসে দেখি বাচ্চা দু’জন ভালো আছে—এটাই একমাত্র সান্ত্বনা। কিন্তু কয়েকটা পোড়া টিন ছাড়া আর কিছুই রক্ষা পায়নি। এখন দুই সন্তান নিয়ে খোলা মাঠেই রাত কাটাতে হয়।”

চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন বলেন,
“কড়াইলের এই মানুষগুলো আমাদের পরিবারের অংশ। তাদের এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং আমাদের সংস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

সিও আকলিমা আক্তার সাথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সান্ত্বনা দিয়ে জানান—
“শীতের সময় খোলা মাঠে রাত কাটানো অত্যন্ত কষ্টের। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পোশাক, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করছি।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন

 

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন




শান্ত থাকুন – আতঙ্কে দৌড়াবেন না।


ডাক–কভার–হোল্ড (Duck–Cover–Hold)

নিচু হয়ে যান


টেবিল/মজবুত কিছু দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন


যেটা ধরে আছেন, সেটা শক্ত করে ধরে থাকুন


বাড়ির ভেতরে থাকলে

জানালা, কাচ ও ভারী জিনিস থেকে দূরে থাকুন


লিফট ব্যবহার করবেন না


বাইরে থাকলে

বিল্ডিং, খুঁটি, ব্রিজ ও তার থেকে দূরে খোলা জায়গায় দাঁড়ান


গাড়িতে থাকলে

গাড়ি থামিয়ে ভিড় ও সেতু থেকে দূরে থাকুন


ভূমিকম্পের পর কী করবেন

গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি লাইন চেক করুন


আহতদের সাহায্য করুন


ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাইরে বের হয়ে খোলা জায়গায় থাকুন


অফিসিয়াল তথ্য ছাড়া কোনো গুজব বিশ্বাস করবেন না


আফটারশকের জন্য প্রস্তুত থাকুন

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

ঢাকা: স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও অর্থবহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শিক্ষকবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং সততা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


সভাপতির বক্তব্যে স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন এর প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীই আমাদের শক্তি। তাদের নৈতিক, মানসিক ও জ্ঞানগত উন্নয়নেই আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা। আজ যারা বিদায় নিচ্ছে তারা ভবিষ্যতে দেশের অহংকার হবে—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।”


এ বছরের আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভালোবাসার উপহার। ৫ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের জন্য একটি সুন্দর বুক সেলফ উপহার দেন, যা শিক্ষা ও পাঠাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে স্থাপন করা হবে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে প্রশংসা জানানো হয়।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান,


ইঞ্জিনিয়ার অরবিন্দ আদিত্য

 
বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম,


সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তারসহ বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।


সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, যার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।


পরে কেক কাটা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নাস্তা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। পরিশেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

 ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

 ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

মোহাম্মদ তারেক, বিশেষ প্রতিনিধি 

 এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায় রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে গত ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের এই ফ্ল্যাগশিপ আয়োজনটিতে অংশ নেন দেশের মার্কেটিং, অ্যাডভার্টাইজিং, ব্র্যান্ডিং, মিডিয়া, পাবলিক রিলেশনস এবং ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন খাতের শীর্ষ পেশাজীবীরা। আয়োজনটির এই বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “কেয়স, কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি: রিইমাজিনিং দ্য কমিউনিকেশন ক্যানভাস।”

সামিটের আলোচনায় বক্তারা জানান, যোগাযোগ শিল্প এখন দ্রুত বদলে যাওয়া বাস্তবতার মুখোমুখি। ডিজিটাল পরিবর্তন, নতুন ধরণের দর্শক আচরণ আর সাংস্কৃতিক পরিবর্তন—সবকিছু মিলেই ব্র্যান্ডের বার্তা পৌঁছে দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই গল্প বলার নতুন পথ, দর্শকের সঙ্গে আরও অর্থবহ সম্পর্ক এবং সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির রূপান্তর—এসব নিয়ে সামিটে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বক্তারা আরও বলেন, মানুষের জীবন ও সংস্কৃতিকে বোঝাই এখন কার্যকর যোগাযোগের মূল ভিত্তি।

অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, “আজ যোগাযোগের দুনিয়া আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চারপাশের অনিশ্চয়তা আর তথ্যের ভিড়ে পথ খুঁজে নিতে সৃজনশীলতাই এখন আমাদের সবচেয়ে শক্ত ভরসা। এই সামিট মনে করিয়ে দেয়—সংস্কৃতি, মানবিকতা এবং সৃজনশীল চিন্তা মিলেই তৈরি হয় এমন ব্র্যান্ড–গল্প, যা দর্শকের কাছে সত্যিকারের সংযোগ তৈরি করে এবং ব্যবসাকেও এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।”

দিনব্যাপী আয়োজনে ৩টি কিনোট সেশন, ৪টি প্যানেল ডিসকাশন ও ২টি কেস স্টাডির সমন্বয়ে ব্র্যান্ড–কমিউনিকেশন শিল্পের চলমান প্রবণতা, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ এবং পরিবর্তনশীল বাস্তবতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

কি–নোট সেশনগুলোতে বক্তারা তুলে ধরেন—ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধানে সৃজনশীল ভাবনার কার্যকর প্রয়োগ, ডিজিটাল যুগে ব্র্যান্ডের আত্মতুষ্টি থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকি—যার বাস্তব উদাহরণ হিসেবে উঠে আসে “জোহরান মামদানি” ক্যাম্পেইনের বিশ্লেষণ—এবং ব্র্যান্ডের তথ্যজট ভেদ করে স্পষ্ট, গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবশালী বার্তা তৈরির প্রয়োজনীয় কাঠামো। কি–নোট বক্তারা ছিলেন— তানজীন আলম, কান্ট্রি হেড, বাংলাদেশ অ্যান্ড এসইএ, এমামী লিমিটেড; অরূপ ইরফান স্যানাল, হেড অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ স্ট্র্যাটেজিস্ট, মাইটি:; এবং তৌফিক মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, মিডিয়াকম লিমিটেড।

নিজের কি–নোটে তানজীন আলম তুলে ধরেন—সত্যিকারের সৃজনশীলতা তখনই ফল দেয়, যখন তা বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধান করে। তিনি বলেন, “মানুষের অভ্যাস বদলাতে হলে আগে বুঝতে হবে কেন বদলানো দরকার।” তাই ব্র্যান্ডের উচিত প্রচলিত ভাবনার বাইরে গিয়ে আরও ধারালো, অন্তর্দৃষ্টি–নির্ভর কৌশল তৈরি করা। তাঁর মতে, একেক সময় পাঁচ সেকেন্ডের ঝলক, এক টুকরো বুদ্ধিদীপ্ত বাঁক বা শক্ত সাংস্কৃতিক সংকেত—অতি প্রযোজনা ছাড়াই দর্শকের মনোযোগ কাড়তে পারে।

প্যানেল আলোচনাগুলোতে উঠে আসে—পিচ–নির্ভর সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে ক্লায়েন্ট–এজেন্সির পার্টনারশিপভিত্তিক কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা। আলোচনা হয় কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সৃজনশীলতার গভীরতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত–মনস্ক, উদ্দেশ্য–নির্ভর মার্কেটিং নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা নিয়ে। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদে ব্র্যান্ডের ভ্যালু তৈরি করতে অর্থ, অনুভূতি ও সংস্কৃতিভিত্তিক কৌশলের গুরুত্বও বিশেষভাবে জায়গা পায়। এছাড়াও, কেস স্টাডি সেশনগুলোতে বিশ্লেষণ করা হয়—ব্র্যান্ডকে এখন কোন সাংস্কৃতিক ও আচরণগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হচ্ছে এবং তার প্রভাব কোথায় পড়ছে।

প্রথম প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, সমৃদ্ধ ক্লায়েন্ট–এজেন্সি সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্মান এবং যৌথ দায়িত্ববোধের মাধ্যমে। ন্যায্য প্রক্রিয়া—যেমন যথাযথ পিচ–ফি ও ভারসাম্যপূর্ণ চুক্তি—দুই পক্ষকেই আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। আলোচকরা উল্লেখ করেন, এজেন্সির বহুমুখী শিল্প–অভিজ্ঞতা থাকে, আর ক্লায়েন্ট যোগ করে ডেটা ও প্রেক্ষাপট; এই সমন্বয়ই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকতে সবচেয়ে জরুরি। প্যানেলের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাস তৈরি হয় যখন উভয় পক্ষ গবেষণা, মূল্যায়ন এবং সমস্যা সমাধানে প্রকৃত অংশীদারের মতো একসঙ্গে কাজ করে। 

সামিটের অন্যান্য সেশনে বক্তা হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন— আফজাল মাহবুব, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, গ্রে গ্রুপ; অজয় কুমার কুন্ডু, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, মিডিয়াকম লিমিটেড; সারাহ আলী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এফসিবি বিটপি; শারজিল করিম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইন্টারস্পিড অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড; ইশতিয়াক শহরিয়ার, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব ডিপার্টমেন্ট, ডিজিটাল অ্যাসেটস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, বিকাশ লিমিটেড; দ্রাবীর আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর, এক্স সলিউশনস লিমিটেড; তানভীর হোসাইন, এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড; লুতফি চৌধুরী, কো–ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও, অ্যাডফিনিক্স লিমিটেড এবং  প্রমুখ।

এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায় কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায় — কানস লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ক্রিয়েটিভিটি। স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার — ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, বিবিএফ সিএমও ক্লাব; নলেজ পার্টনার — মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ;  হসপিটালিটি পার্টনার — লে মেরিডিয়ান ঢাকা ; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার — টার্কিশ এয়ারলাইন্স; পিআর পার্টনার — ব্যাকপেজ পিআর। কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫ বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের একটি উদ্যোগ।


ছবি : মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু





শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

নরসিংদী:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায়  নরসংদীর রায়পুরা বালুয়াকান্দীতে  অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

ঢাকা, আগারগাঁও:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনে অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

 চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

📍 ঢাকা, ১২ নভেম্বর ২০২৫:

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে, যাতে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন ও স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পায়

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে আয়োজিত “স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২৫”-এর সংশোধন-বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি অনুদানের জন্য চলচ্চিত্র বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা এখন সবার দায়িত্ব।”

তিনি আরও জানান, চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে অনুদান নীতিমালার সংশোধন কার্যক্রম চলছে। নীতিমালায় যেসব ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো লিখিতভাবে প্রস্তাব আকারে জমা দিতে তিনি চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন —
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান সহ দেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক, নির্মাতা, অভিনেতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

🎬 সরকারের এ উদ্যোগে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন উদ্যম ও মানোন্নয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

 ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী নববর্ষ ২০২৬ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (৯ নভেম্বর, রোববার) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা, ৮ নভেম্বর:  ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবছর সৃজনশীল প্রকাশনা তৈরি করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ছাত্রশিবির আজ এ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। এই যাত্রা ছিল অত্যন্ত কঠিন। ছাত্রশিবিরের সফলতা কেউ কখনো সহজে মেনে নিতে পারেনি। এখন পর্যন্ত আমাদের জুলাইসহ ২৩৪ জন ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। গুম, খুন, জুলুম ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েই নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রকাশনাগুলো দিন দিন শিক্ষার্থীদের কাছে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। আমাদের প্রায় ৩০০ রকমের প্রকাশনা উপকরণ রয়েছে। ‘১ পাতায় মসজিদ’—এটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যসমৃদ্ধ একটি চমৎকার সামাজিক ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে। ‘৩ পাতার ক্যালেন্ডার’ তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য স্বপ্ন। এটি রীতিমতো একটি গবেষণাপত্র। কোনো প্রকাশনা অনর্থক তৈরি করা হয়নি। প্রতিটি প্রকাশনা সামগ্রীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কঠোর পরিশ্রম, আবেগ ও অনুভূতি। এটি ছাত্রসমাজের জন্য পাথেয়।”

সবশেষে তিনি সবাইকে প্রদর্শনীতে এসে এসব প্রকাশনা দেখার ও একে অপরকে উপহার প্রদানের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, গবেষণা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও ডাকসু জিএস এস. এম. ফরহাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি রেজাউল করিম শাকিল, মেডিকেল জোন সভাপতি ডা. যায়েদ আহমেদ এবং ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশনা উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ছাত্রশিবির সভাপতি। এরপর সকল প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেল। একই সঙ্গে সকল কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট সদস্যরা প্রকাশনার প্রদর্শন করেন।

পরবর্তীতে প্রদর্শনীতে কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ঘুরে ঘুরে দেখেন, প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন, দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, প্রকাশনা উপহার প্রদান করেন এবং মন্তব্য বোর্ডে স্বাক্ষর করেন।

প্রদর্শনীতে স্টলগুলোর মধ্যে ছিল জুলাই স্মারক গ্রন্থ, বাংলা ও ইংরেজি ডায়েরি, ৩ পাতা ক্যালেন্ডার, ১ পাতা ক্যালেন্ডার, ডেস্ক ক্যালেন্ডার, ইয়ার প্ল্যানার, জুলাই স্মৃতি সংকলন, প্রকাশনা আর্কাইভ, বিজ্ঞান বন্ধু, শিশু-কিশোর কার্নিভাল ও মন্তব্য বোর্ড।

উল্লেখ্য, ৯ ও ১০ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ২ দিনব্যাপী এ প্রকাশনা উৎসব চলবে।

মেরিনা তাবাসসুম: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মাথায় রেখে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের গুরুত্ব

মেরিনা তাবাসসুম: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মাথায় রেখে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের গুরুত্ব

 

ঢাকা, ৮ নভেম্বর:  বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবকে মাথায় রেখে স্থাপনার নকশা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। 

স্থাপত্য শাখার নোবেল হিসেবে খ্যাত আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই বাংলাদেশি কৃতী স্থপতি  বলেছেন, “একজন শিল্পী একটি দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, আর তাঁর শিল্পকর্ম তাঁকে সারা জীবন বাঁচিয়ে রাখে।”

শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিরামিক বাংলাদেশ ম্যাগাজিন’ আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধে তিনি এসব কথা বলেন। 

‘বিটুইন ইরোশন অ্যান্ড ইমারজেন্সি’ শিরোনামের উপস্থাপনায় মেরিনা তাবাসসুম তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “স্থাপত্য কেবল ভবন নির্মাণ নয়, এটি সংস্কৃতি, সমাজ ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি জীবন্ত শিল্প। একজন স্থপতির দায়িত্ব শুধু কাঠামো তৈরি নয়, বরং এমন কিছু সৃষ্টি করা যা মানুষের জীবন, পরিবেশ ও সময়ের সঙ্গে কথা বলে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের কাজ যেন এই মাটির বাস্তবতার সঙ্গে মিশে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং মানুষের জীবনধারার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থাপত্যের ভাষা বদলাতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “চরাঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচে। তাদের জীবনযাপন ও বাসস্থানকে টেকসইভাবে গড়ে তুলতে স্থাপত্যের নতুন ধারণা প্রয়োগ জরুরি।”

মেরিনা তাবাসসুম জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পুনর্বাসনযোগ্য ঘর তৈরিতে তার দল ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে। এসব প্রকল্পে স্থানীয় মানুষকে যুক্ত করে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নকশা তৈরি করা হচ্ছে।

মেরিনা তাবাসসুম আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু স্থাপনা নির্মাণ নয়, বরং মানুষের সঙ্গে তাদের পরিবেশের একটি ভারসাম্য সৃষ্টি করা। চরাঞ্চলের মানুষকে আত্মনির্ভর করে তুললেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।”


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিরামিক বাংলাদেশ ম্যাগাজিনের সিনিয়র অ্যাডভাইজর, আরকিকানেক্টের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্থপতি জালাল আহমেদ। 

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্থাপত্য আজ বিশ্বে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। মেরিনা তাবাসসুমের মতো স্থপতিরা আমাদের গর্ব এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।”

পুরো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন স্থপতি মৌসুমী আহমেদ। 


স্থপতি মাহমুদুল আনোয়ার রিয়াদের সঞ্চালনায় পরে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর জয়নাব ফারুকী আলী, স্থপতি নাহাস আহমেদ খলিল ও প্রফেসর ফুয়াদ হাসান মল্লিক।

সমাপনী বক্তব্যে বিসিএমইএ প্রেসিডেন্ট ও মুন্নু সিরামিকের ভাইস চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম বলেন, “দেশের স্থাপত্য ও সিরামিক শিল্প একে অপরের পরিপূরক। শিল্প, শিক্ষা ও গবেষণার সমন্বয় ঘটিয়ে এই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে দেশের প্রখ্যাত স্থপতি, প্রকৌশলী, সিরামিক শিল্প উদ্যোক্তা, শীর্ষ কর্মকর্তা ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

 জুড়ীতে ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক, 

অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে ইচ্ছাশক্তি পাবলিকেশন প্রকাশিত ‘জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা’ নামের যৌথ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে মৌলভীবাজারের জুড়ীতে।

রোববার (১৯ অক্টোবর ২০২৫) দুপুর ২টায় জুড়ী উপজেলার সানাবিল লাইব্রেরি অ্যান্ড এডুকেশন সেন্টারে আয়োজন করা হয় এ অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন বইয়ের সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম আল-আজিম
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রশিবিরের প্রকাশনা সম্পাদক জুয়েল আহমদ
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি ইমরান হোসেন মনিয়ার, জুড়ী পূর্ব উপজেলা সভাপতি রুমেল আহমদ, সেক্রেটারি জাবির হোসাইন, প্রচার সম্পাদক খালেদ মাসুদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাব্যগ্রন্থের লেখকবৃন্দ — মুশতাক আহমদ শাফিয়ান, মোঃ শরিফ উদ্দিন, হাঃ রেদওয়ানুল মাহবুব, নুরুল ইসলাম রোহিন, এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী, পাঠক ও সাহিত্যপ্রেমীরা।

“জীবনের চূড়ান্ত প্রত্যাশা” কাব্যগ্রন্থে স্থান পাওয়া লেখকরা হলেন —
আশরাফুল ইসলাম আল-আজিম, আল আমিন গাজী, মুহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম, শাহ মোহাম্মদ আজিজ উল্লাহ, ফাতেমা আক্তার শ্যামলী, মোঃ শরিফ উদ্দিন, আব্দুল মাজেদ নুরুন্নবী, শেখ জিল্লুর রহমান স্বপন, মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম আনছারী, জান্নাত মাহি, দেবদাস চন্দ্র দাস, মুশতাক আহমদ শাফিয়ান, নুরুল ইসলাম রোহিন, শেখ মোহাম্মদ আবুল কাশেম, সৃজনী আচার্য নীলা, শাহ জাহেদ আহমদ, আল সেলিম আহমেদ, আল-মাসউদ, মাহবুব মাসুদ ও ইয়াসমিন আক্তার।

অতিথিবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “সাহিত্য সমাজ ও জাতি গঠনের অন্যতম শক্তি। তরুণ প্রজন্মের লেখকদের সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে এগিয়ে আসতে হবে।”

পরিশেষে সম্পাদক ও নির্বাচিত লেখকদের হাতে সাহিত্য সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। এরপর উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।