বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

 নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা


 

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করতে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন। বই বিতরণ অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের চোখে-মুখে ছিল আনন্দ আর নতুন স্বপ্নের ঝিলিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য।

সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক সোহাগী আক্তার, পপি আক্তার ও নাজুমুল হুজুর

নুষ্ঠান পরিচালনয়ায় ছিলেন  স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর।

অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেন এবং তাদের শুভকামনা জানান।

এ সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান হাতিয়ার। নতুন বই শুধু পড়ালেখার উপকরণ নয়, এটি শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় আনতেই আমাদের এই নিরন্তর প্রয়াস।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। নিয়মিত বই বিতরণ  ও শিক্ষা সহায়তার মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলাই স্বদেশ মৃত্তিকার লক্ষ্য।

বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, নতুন বই পেয়ে তাদের পড়ালেখার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনকে ধন্যবাদ জানান।

 

উল্লেখ্য, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে আসছে। শিক্ষা বিস্তারে এমন মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

 

স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শ্রেষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেছে ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’। শিক্ষায় উৎসাহ ও মেধার স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ও নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের সহসভাপতি ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন SRA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহবাল আহমেদ জনি, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব বাবুল হোসেন ও আজাদ, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার।

এসময় স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেধা ও সম্ভাবনাকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,
“শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো মানেই ভবিষ্যতের পাশে দাঁড়ানো। মেধাবীদের স্বীকৃতি দিলে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবে।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,
“শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, নৈতিক প্রেরণা ও সম্মানই একটি শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আজকের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মনে দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করবে।”

 

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

 সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা

অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’ অংশগ্রহণ করে স্বদেশ মৃত্তিকা 

‘স্বপ্ন সারথি হই—নিজে বদলালেই দেশ বদলাবে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সাফল্যের অনুপ্রেরণামূলক গল্প তুলে ধরতে
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল

সম্মেলনের আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
আমাদের পাঠশালা, ছায়াতল বাংলাদেশ, নতুনের শান্তি নিবাস, মজার ইশকুল, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, হাসিমুখ সমাজকল্যাণ সংস্থা, আপন ফাউন্ডেশন, ছওয়াব ফাউন্ডেশন, ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ ও ঈদগাহ গার্লস হাই স্কুল, দিনাজপুর।

উদ্বোধনী বক্তব্যে আবদুল আউয়াল বলেন,

“আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আজকের পথশিশুরাও এই সমাজেরই সন্তান। অবহেলা আর সুযোগের অভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছে, অন্ধকার জগতে হারিয়ে যাচ্ছে, এমনকি অপরাধের পথে জড়িয়ে পড়ছে। অথচ সুযোগ পেলে তারাও হতে পারে সমাজের সম্পদ।”

তিনি আরও বলেন,
“আমরা যারা রাষ্ট্রের টাকায় পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, তারা আসলে জনগণের কাছে ঋণী। সেই ঋণ শোধ করার সবচেয়ে বাস্তব উপায় হলো জীবিত অবস্থায় সমাজের জন্য কিছু করা। নিজের সন্তানের মতো অন্তত একটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুর দায়িত্ব নিলে সমাজ বদলাতে সময় লাগবে না।”

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা করুণা নয়—চায় সুযোগ। একটি সুযোগই পারে একটি জীবন বদলে দিতে, একটি পরিবারকে আলোকিত করতে। স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন সেই বিশ্বাস থেকেই কাজ করে যাচ্ছে—যেখানে স্বপ্ন বাঁচে, মানুষ গড়ে ওঠে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক তাসলিমা আক্তার,
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সিনিয়ার শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক নাজমুল হোসাইন, পপি আক্তার, পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সম্মেলনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনের গল্প, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য উপস্থিত সবার মাঝে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে। আয়োজকরা জানান, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—কারণ একটি স্বপ্নই পারে একটি দেশ বদলাতে