রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬

🏆 বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

🏆 বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

আগারগাঁও প্রতিনিধিঃ
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখার উদ্যোগে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দৌড়, লং জাম্প, বল নিক্ষেপসহ বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। শিশুদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, হাসি ও উচ্ছ্বাসে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এসময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে সহায়তা করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্যমুহাম্মাদ নূরুস সাবা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, সমাজসেবক মোঃ রেজাউল ইসলাম সুমন, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর এবং বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, সোহাগী আক্তার, পপি আক্তারনাজমুল হুজুর। এসময় শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,

“শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের আয়োজন শিশুদের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বগুণ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

এসময় উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,

“শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার হলে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ আরও সুদৃঢ় হয়।”

মুহাম্মাদ নূরুস সাবা বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য এমন আয়োজন প্রশংসনীয় এবং সমাজের সবাইকে এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসা উচিত।”

ডা. এস এম হাবিবুর রহমান বলেন,

“শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,

“শিশুদের পাশে দাঁড়ানোই একটি সুন্দর সমাজ গড়ার প্রথম ধাপ।”

এদিকে SEA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান শিক্ষার্থীদের এমন প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীন বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

 নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

 নরসিংদীতে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে বই বিতরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি:
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন নরসিংদী শাখায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়েছে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে আয়োজিত এই উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক নুরুরস সাবা মিঠু এবং স্টুডেন্ট এডুকেশনাল এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষক শান্তা শেখসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে বই বিতরণ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতে এ ধরনের মানবিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

 নরসিংদীতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ

নরসিংদী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত কম্বল বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ নরসিংদী জেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। নুরুস সাবা মিঠু ও তাঁর টিম এর সহযোগিতায় স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও তারা দেশের ৬৪ জেলায় ঘরে ঘরে গিয়ে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষকে চিহ্নিত করে সরাসরি তাদের হাতে কম্বল পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক নুরুস সাবা মিঠু, স্টুডেন্ট এডুকেশনাল এসোসিয়েশন-এর চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, নরসিংদী শাখা প্রধান কান্তা শেখ, শিক্ষক শান্তা শেখসহ অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীরা এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কম্বল বিতরণকালে বক্তব্যে সমাজসেবক নুরুস সাবা মিঠু বলেন, “এই এলাকায় ভবিষ্যতে আরও কিছু মানবিক কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে টিউবওয়েল স্থাপনসহ জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা আছে।”

নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকার শীতার্ত ও অ
সহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণকালে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। শীতের তীব্রতায় কষ্টে থাকা মানুষের জন্য এ উদ্যোগ কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে বলে জানান উপকারভোগীরা।

আয়োজকরা জানান, এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; বরং মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় এ ধরনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

 লেখক সম্মাননা ২০২৫’ পেলেন লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন

লেখক ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ পরিষদ-এর কর্ণদার তরিকুল ইসলাম

লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেন পেলেন ‘লেখক সম্মাননা ২০২৫’। গতকাল ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে এক বর্ণিল ও আনন্দঘন পরিবেশে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ প্রকাশনী ও প্রগতি সাহিত্য পরিষদ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক অনন্য সাহিত্যিক মিলনমেলায়। দেশবরেণ্য কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও গুণীজনদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন ছিল প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, শ্রদ্ধেয় কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে সাহিত্যচর্চার গুরুত্ব ও নতুন প্রজন্মের লেখকদের এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

এ সময় প্রধান আলোচক হিসেবে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কবি, লেখক ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রশিদ। তিনি বলেন, “সাহিত্য সমাজের দর্পণ। যারা নিরলসভাবে সাহিত্য ও সংস্কৃতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের সম্মাননা দেওয়া জাতির জন্য অনুপ্রেরণার।”


সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মো. আকবর হোসেন বলেন,
“এই সম্মাননা আমাকে আরও দায়বদ্ধ করবে সাহিত্য ও মানবিক কাজে নিজেকে উৎসর্গ করতে। আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”

উল্লেখ্য, সাহিত্য ও সামাজিক সংগঠনে ধারাবাহিক অবদান রাখায় লেখক ও সংগঠক মো. আকবর হোসেনকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।  

প্রগতি সাহিত্য পরিষদ-এর কর্ণদার তরিকুল ইসলাম বলে, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ আমাদের ডাকে আপনারা সারা দিয়েছেন এবং আমার পক্ষ থেকে সবাইকে অনেক অনেক ভালবাসা জানাচ্ছি। 
তিনি বলেন মানুষ বড় হয় তার গুণ দিয়ে। আমাদের দেশে গ্রামে গঞ্জে অনেক লেখক আছে কিন্তু আমরা রাজধানিতে থেকে সেই কবিদের খোজখবর নেই না, আমার উদ্যেশ্য ছিলো সেই কবিদের কিভাবে সামনে নিয়ে আসবো আর সেই লক্ষ্য থেকেই আমার এই আয়োজন। 

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা

 নতুন বইয়ের ঘ্রাণে নতুন স্বপ্ন—শিশুদের হাতে বই তুলে দিল স্বদেশ মৃত্তিকা


 

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করতে শিশুদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়েছে স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন। বই বিতরণ অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শিশুদের চোখে-মুখে ছিল আনন্দ আর নতুন স্বপ্নের ঝিলিক।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন, সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান, ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য।

সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক সোহাগী আক্তার, পপি আক্তার ও নাজুমুল হুজুর

নুষ্ঠান পরিচালনয়ায় ছিলেন  স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর।

অভিভাবক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অতিথিরা শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেন এবং তাদের শুভকামনা জানান।

এ সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রধান হাতিয়ার। নতুন বই শুধু পড়ালেখার উপকরণ নয়, এটি শিশুদের স্বপ্ন দেখার সাহস জোগায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার মূলধারায় আনতেই আমাদের এই নিরন্তর প্রয়াস।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তারা বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। নিয়মিত বই বিতরণ  ও শিক্ষা সহায়তার মাধ্যমে একটি আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তোলাই স্বদেশ মৃত্তিকার লক্ষ্য।

বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তারা জানায়, নতুন বই পেয়ে তাদের পড়ালেখার আগ্রহ আরও বেড়ে গেছে। অভিভাবকরাও এই উদ্যোগের জন্য স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনকে ধন্যবাদ জানান।

 

উল্লেখ্য, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা, বই-খাতা ও শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করে আসছে। শিক্ষা বিস্তারে এমন মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আয়োজকরা জানান।

মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

 

স্বদেশ মৃত্তিকার শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করল ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শ্রেষ্ঠ ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেছে ‘হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশন’। শিক্ষায় উৎসাহ ও মেধার স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ও নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের সহসভাপতি ডা. এস এম হাবিবুর রহমান, অরবিন্দ আদিত্য এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন SRA-ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. গোলাম রহমান, হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু, নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহবাল আহমেদ জনি, স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব বাবুল হোসেন ও আজাদ, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম এবং সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তার।

এসময় স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ আকবর হোসেন বলেন,
“শিক্ষাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মেধা ও সম্ভাবনাকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

হাত বাড়িয়ে দাও ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার হোসেন শিবলু বলেন,
“শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো মানেই ভবিষ্যতের পাশে দাঁড়ানো। মেধাবীদের স্বীকৃতি দিলে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবে।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান বলেন,
“শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, নৈতিক প্রেরণা ও সম্মানই একটি শিশুর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। আজকের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মনে দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করবে।”

 

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

 সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বপ্ন ও সাফল্যের গল্পে অনুপ্রেরণার মিলনমেলা

অনুষ্ঠিত হলো ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’ অংশগ্রহণ করে স্বদেশ মৃত্তিকা 

‘স্বপ্ন সারথি হই—নিজে বদলালেই দেশ বদলাবে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও সাফল্যের অনুপ্রেরণামূলক গল্প তুলে ধরতে
রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্বপ্ন সারথি সম্মেলন ২০২৬’

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা প্রাঙ্গণে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দ্য স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল

সম্মেলনের আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
আমাদের পাঠশালা, ছায়াতল বাংলাদেশ, নতুনের শান্তি নিবাস, মজার ইশকুল, স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, হাসিমুখ সমাজকল্যাণ সংস্থা, আপন ফাউন্ডেশন, ছওয়াব ফাউন্ডেশন, ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ ও ঈদগাহ গার্লস হাই স্কুল, দিনাজপুর।

উদ্বোধনী বক্তব্যে আবদুল আউয়াল বলেন,

“আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আজকের পথশিশুরাও এই সমাজেরই সন্তান। অবহেলা আর সুযোগের অভাবে তারা পিছিয়ে পড়ছে, অন্ধকার জগতে হারিয়ে যাচ্ছে, এমনকি অপরাধের পথে জড়িয়ে পড়ছে। অথচ সুযোগ পেলে তারাও হতে পারে সমাজের সম্পদ।”

তিনি আরও বলেন,
“আমরা যারা রাষ্ট্রের টাকায় পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, তারা আসলে জনগণের কাছে ঋণী। সেই ঋণ শোধ করার সবচেয়ে বাস্তব উপায় হলো জীবিত অবস্থায় সমাজের জন্য কিছু করা। নিজের সন্তানের মতো অন্তত একটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুর দায়িত্ব নিলে সমাজ বদলাতে সময় লাগবে না।”

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন,

“সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা করুণা নয়—চায় সুযোগ। একটি সুযোগই পারে একটি জীবন বদলে দিতে, একটি পরিবারকে আলোকিত করতে। স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন সেই বিশ্বাস থেকেই কাজ করে যাচ্ছে—যেখানে স্বপ্ন বাঁচে, মানুষ গড়ে ওঠে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার ভাইস-চেয়ারম্যান গোলাম রহমান, পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক তাসলিমা আক্তার,
স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের সিনিয়ার শিক্ষক রাশিদা আক্তার, শিক্ষক নাজমুল হোসাইন, পপি আক্তার, পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ।

সম্মেলনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জীবনের গল্প, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য উপস্থিত সবার মাঝে গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করে। আয়োজকরা জানান, এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—কারণ একটি স্বপ্নই পারে একটি দেশ বদলাতে