রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

 নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ এর জাতীয় পর্যায়ের সেমিনারের প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ এর জাতীয় পর্যায়ের সেমিনারের প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

  


 মাসিক সভার সিদ্ধান্ত সমূহ

নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ

৪৫ পশ্চিম আগারগাঁও , ঢাকা

বিষয় : নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ এর জাতীয় পর্যায়ের সেমিনারের প্রস্তুতি পর্যালোচনা সভার কার্যবিবরণী।

 সভাপতি
ইবনুল সাঈদ রানা।
চেয়ারম্যান

নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ

সভার তারিখ
: ০৮-০৯-২০২৩ ..

সময় সন্ধা ০৭.০০ ঘটিকা

স্থান: নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ এর অস্থায়ী কার্যালয়

সভায় উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে সভাপতি কর্তৃক সভা শুরু করেন। অতঃপর সভাপতির অনুমতিক্রমে মোঃ আকবর হোসেন, মহাসচিব, নিরাপদ খাদ্য অধিকার মঞ্চ সভার কার্যপত্র/এজেন্ডা উপস্থাপন করেন। 

সভার  সংক্ষিপ্ত বর্ননা

১। ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন শিবলু জানান,  জাতীয় প্রর্‍্যায়ের সেমিনার প্রেসক্লাব করা যেতে পারে। খাদ্যের সাথে সম্পৃত্ত  এমন গুরুত্বপুণ্য ব্যাক্তিবর্গকে অতিথি হিসাবে রাখা জরুরী , সাথে সরকার মন্ত্রী, সচিবসহ  অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ।.

২। শাহাবাল আহমেদ জনী বলেন,  ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন শিবলু ভাই সাথে একমত পোষন করছি।

৩। রাজা উদ্দিন রাজা জানান,  সবার মতামতের সাথে একমত ।

৪। এ্যাডঃ ফারুক হোসেন মোল্লা বলেন  লিখিত আকারে ভেজাল খাদ্যর উপর সরকারের কাছে দাবী প্রদান করা * মত বিনিময় সভা করা জন্য প্রস্তাব করের জাতীয় প্রসক্লাব।.

৫। সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা জানান - প্রতিমাসে সভা কারণে সংগঠনের গতি বাড়বে এবং আমাদের উচিত  প্রতি বাজারে বাজারে যেয়ে মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

৬। বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, নাগরিক সচেতনতার জন্য যে ধরনের তৎপরতা
 থাকা দরকার তা আমাদের দেশে নাই  সে দিকে আমাদের নজর দিতে হবে। 

৭। যুগ্ম-মহাসচিব ইমরান আহমেদ বলেন  - সকলের সাথে একমত প্রকাশ করছি, এবং সংগঠনকে এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের আরো কাজ করতে হবে।

৮। দপ্তর সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বলেন আমি সবার সাথে একমত প্রকাশ করেন এবং জাতীয় পর্যায়ের সেমিনার সুন্দর ভাবে করার জন্য আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে। 

৯। ভাইস-চেয়ারম্যান ডাঃ এস এম হাবিবুর রহমান জানান – সবার আগে আমাদের গঠনতন্ত্র তৈরী করা দরকার। সেমিনার করতে হলে গঠনতন্ত্রের প্রয়োজন জরুরী না হলে প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হবে আমাদের। ফান্ড অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে।

১০। ভাইস-চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম খান বলেন- বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের নিয়ে সেমিনার করা। প্রতিমাসে চাঁদা তুলে ফান্ড গঠন। খাদ্যে ভেজাল প্রমানের জন্য নিজস্ব ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা। ভিজিটিং কার্ড ব্যাবস্থা করা। একজন লোকও যদি সচেতন হয় তাহলে আমাদের সার্থক ।

 ১১। ভাইস-চেয়ারম্যান কেএম উবায়দুর রহমান জানান - সেমিনার করতে হলে সময় নিয়ে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকদের সাথে রাখতে হবে। প্রোগ্রাম সফল করতে হবে।

১২। চেয়ারম্যানইবনুল সাঈদ রানা  সবার বক্তব্য মন দিয়ে শোনেন  বলেন – নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো চেষ্টা চলছে। খাবারের বিশুদ্ধতা ও সরকারি নীতি অনুসরণ করে ভোক্তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য আমাদের সারা বাংলাদেশে কাজ করার চেষ্টা  চালিয়ে যেতে হবে । পত্রিকার পাতা থেকে খাদ্য নিয়ে কি কি বিষয় আসছে সেই বিষয় গুলো সংগ্রহ করা দরকার, আমাদের প্রত্যাক সদস্যদের কমপক্ষে ২ জন করে সদস্য সংগ্রহ করতে হব, স্কুল প্রোগ্রামের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমাদের কার্যক্রম প্রকাশনার মাধ্যমে মানুষ্কে যানাতে হবে,  ২০০ টাকা মাসিক চাঁদা সেপ্টেম্বর মাস থেকে সংগ্রহ করা হবে।

 মহাসচিব মোঃ আকবর হোসেন সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সভাপতি অনুমতিক্রমে চা এর আমন্ত্রন জানিয়ে সভা শেষ করেন।