শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৫

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

কড়াইল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের খোঁজখবর নিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিও

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



ঢাকা: কড়াইল বস্তির সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নিতে আজ পরিদর্শনে যান স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন এবং সিও আকলিমা আক্তার সাথি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন, পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করেন এবং সহায়তার আশ্বাস দেন।

অগ্নিকাণ্ডে সব কিছু হারিয়ে ফেলা এক মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান—
“আমার স্বামী আমায় ছেড়ে চলে গেছে। আমি দুই সন্তানকে নিয়ে এই বস্তিতে থাকি। অফিসে থাকা অবস্থায় খবর পাই আগুন লেগেছে। ছুটে এসে দেখি বাচ্চা দু’জন ভালো আছে—এটাই একমাত্র সান্ত্বনা। কিন্তু কয়েকটা পোড়া টিন ছাড়া আর কিছুই রক্ষা পায়নি। এখন দুই সন্তান নিয়ে খোলা মাঠেই রাত কাটাতে হয়।”

চেয়ারম্যান মো: আকবর হোসেন বলেন,
“কড়াইলের এই মানুষগুলো আমাদের পরিবারের অংশ। তাদের এই দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি এবং আমাদের সংস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।”

সিও আকলিমা আক্তার সাথি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সান্ত্বনা দিয়ে জানান—
“শীতের সময় খোলা মাঠে রাত কাটানো অত্যন্ত কষ্টের। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পোশাক, কম্বলসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহের ব্যবস্থা করছি।”

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থা অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।



শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন

 

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন




শান্ত থাকুন – আতঙ্কে দৌড়াবেন না।


ডাক–কভার–হোল্ড (Duck–Cover–Hold)

নিচু হয়ে যান


টেবিল/মজবুত কিছু দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন


যেটা ধরে আছেন, সেটা শক্ত করে ধরে থাকুন


বাড়ির ভেতরে থাকলে

জানালা, কাচ ও ভারী জিনিস থেকে দূরে থাকুন


লিফট ব্যবহার করবেন না


বাইরে থাকলে

বিল্ডিং, খুঁটি, ব্রিজ ও তার থেকে দূরে খোলা জায়গায় দাঁড়ান


গাড়িতে থাকলে

গাড়ি থামিয়ে ভিড় ও সেতু থেকে দূরে থাকুন


ভূমিকম্পের পর কী করবেন

গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি লাইন চেক করুন


আহতদের সাহায্য করুন


ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলে বাইরে বের হয়ে খোলা জায়গায় থাকুন


অফিসিয়াল তথ্য ছাড়া কোনো গুজব বিশ্বাস করবেন না


আফটারশকের জন্য প্রস্তুত থাকুন

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

 স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি অনুষ্ঠিত

ঢাকা: স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন, আগারগাঁও শাখায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো ৫ম শ্রেণীর বিদায়ী অনুষ্ঠান ও ক্লাস পার্টি। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয় ও অর্থবহ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শিক্ষকবৃন্দ বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন এবং সততা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।


সভাপতির বক্তব্যে স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতন এর প্রতিষ্ঠাতা মো. আকবর হোসেন বলেন, “শিক্ষার্থীই আমাদের শক্তি। তাদের নৈতিক, মানসিক ও জ্ঞানগত উন্নয়নেই আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা। আজ যারা বিদায় নিচ্ছে তারা ভবিষ্যতে দেশের অহংকার হবে—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।”


এ বছরের আয়োজনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিদায়ী শিক্ষার্থীদের ভালোবাসার উপহার। ৫ম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলের জন্য একটি সুন্দর বুক সেলফ উপহার দেন, যা শিক্ষা ও পাঠাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করতে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে স্থাপন করা হবে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগকে প্রশংসা জানানো হয়।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা ড. সৈয়দ তারিক উজ জামান,


ইঞ্জিনিয়ার অরবিন্দ আদিত্য

 
বাংলাদেশ বেতারের উপস্থাপক শেখ নজরুল ইসলাম,


সিনিয়র শিক্ষক রাশিদা আক্তারসহ বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ,
অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।


সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সাগর, যার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।


পরে কেক কাটা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, নাস্তা ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। পরিশেষে মিলাদ ও দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

 ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

 ব্র্যান্ড–যোগাযোগের বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজন ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট

মোহাম্মদ তারেক, বিশেষ প্রতিনিধি 

 এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায় রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে গত ১৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের এই ফ্ল্যাগশিপ আয়োজনটিতে অংশ নেন দেশের মার্কেটিং, অ্যাডভার্টাইজিং, ব্র্যান্ডিং, মিডিয়া, পাবলিক রিলেশনস এবং ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন খাতের শীর্ষ পেশাজীবীরা। আয়োজনটির এই বছরের প্রতিপাদ্য ছিল— “কেয়স, কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি: রিইমাজিনিং দ্য কমিউনিকেশন ক্যানভাস।”

সামিটের আলোচনায় বক্তারা জানান, যোগাযোগ শিল্প এখন দ্রুত বদলে যাওয়া বাস্তবতার মুখোমুখি। ডিজিটাল পরিবর্তন, নতুন ধরণের দর্শক আচরণ আর সাংস্কৃতিক পরিবর্তন—সবকিছু মিলেই ব্র্যান্ডের বার্তা পৌঁছে দেওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই গল্প বলার নতুন পথ, দর্শকের সঙ্গে আরও অর্থবহ সম্পর্ক এবং সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির রূপান্তর—এসব নিয়ে সামিটে বিস্তৃত আলোচনা হয়। বক্তারা আরও বলেন, মানুষের জীবন ও সংস্কৃতিকে বোঝাই এখন কার্যকর যোগাযোগের মূল ভিত্তি।

অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী সম্পাদক সাজিদ মাহবুব বলেন, “আজ যোগাযোগের দুনিয়া আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চারপাশের অনিশ্চয়তা আর তথ্যের ভিড়ে পথ খুঁজে নিতে সৃজনশীলতাই এখন আমাদের সবচেয়ে শক্ত ভরসা। এই সামিট মনে করিয়ে দেয়—সংস্কৃতি, মানবিকতা এবং সৃজনশীল চিন্তা মিলেই তৈরি হয় এমন ব্র্যান্ড–গল্প, যা দর্শকের কাছে সত্যিকারের সংযোগ তৈরি করে এবং ব্যবসাকেও এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।”

দিনব্যাপী আয়োজনে ৩টি কিনোট সেশন, ৪টি প্যানেল ডিসকাশন ও ২টি কেস স্টাডির সমন্বয়ে ব্র্যান্ড–কমিউনিকেশন শিল্পের চলমান প্রবণতা, ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ এবং পরিবর্তনশীল বাস্তবতা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।

কি–নোট সেশনগুলোতে বক্তারা তুলে ধরেন—ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধানে সৃজনশীল ভাবনার কার্যকর প্রয়োগ, ডিজিটাল যুগে ব্র্যান্ডের আত্মতুষ্টি থেকে তৈরি হওয়া ঝুঁকি—যার বাস্তব উদাহরণ হিসেবে উঠে আসে “জোহরান মামদানি” ক্যাম্পেইনের বিশ্লেষণ—এবং ব্র্যান্ডের তথ্যজট ভেদ করে স্পষ্ট, গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবশালী বার্তা তৈরির প্রয়োজনীয় কাঠামো। কি–নোট বক্তারা ছিলেন— তানজীন আলম, কান্ট্রি হেড, বাংলাদেশ অ্যান্ড এসইএ, এমামী লিমিটেড; অরূপ ইরফান স্যানাল, হেড অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ স্ট্র্যাটেজিস্ট, মাইটি:; এবং তৌফিক মাহমুদ, এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, মিডিয়াকম লিমিটেড।

নিজের কি–নোটে তানজীন আলম তুলে ধরেন—সত্যিকারের সৃজনশীলতা তখনই ফল দেয়, যখন তা বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যা সমাধান করে। তিনি বলেন, “মানুষের অভ্যাস বদলাতে হলে আগে বুঝতে হবে কেন বদলানো দরকার।” তাই ব্র্যান্ডের উচিত প্রচলিত ভাবনার বাইরে গিয়ে আরও ধারালো, অন্তর্দৃষ্টি–নির্ভর কৌশল তৈরি করা। তাঁর মতে, একেক সময় পাঁচ সেকেন্ডের ঝলক, এক টুকরো বুদ্ধিদীপ্ত বাঁক বা শক্ত সাংস্কৃতিক সংকেত—অতি প্রযোজনা ছাড়াই দর্শকের মনোযোগ কাড়তে পারে।

প্যানেল আলোচনাগুলোতে উঠে আসে—পিচ–নির্ভর সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা পেছনে ফেলে ক্লায়েন্ট–এজেন্সির পার্টনারশিপভিত্তিক কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা। আলোচনা হয় কনটেন্টের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সৃজনশীলতার গভীরতা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত–মনস্ক, উদ্দেশ্য–নির্ভর মার্কেটিং নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা নিয়ে। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদে ব্র্যান্ডের ভ্যালু তৈরি করতে অর্থ, অনুভূতি ও সংস্কৃতিভিত্তিক কৌশলের গুরুত্বও বিশেষভাবে জায়গা পায়। এছাড়াও, কেস স্টাডি সেশনগুলোতে বিশ্লেষণ করা হয়—ব্র্যান্ডকে এখন কোন সাংস্কৃতিক ও আচরণগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হচ্ছে এবং তার প্রভাব কোথায় পড়ছে।

প্রথম প্যানেল আলোচনায় বক্তারা বলেন, সমৃদ্ধ ক্লায়েন্ট–এজেন্সি সম্পর্ক গড়ে ওঠে পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্মান এবং যৌথ দায়িত্ববোধের মাধ্যমে। ন্যায্য প্রক্রিয়া—যেমন যথাযথ পিচ–ফি ও ভারসাম্যপূর্ণ চুক্তি—দুই পক্ষকেই আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে সহায়তা করে। আলোচকরা উল্লেখ করেন, এজেন্সির বহুমুখী শিল্প–অভিজ্ঞতা থাকে, আর ক্লায়েন্ট যোগ করে ডেটা ও প্রেক্ষাপট; এই সমন্বয়ই ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত থাকতে সবচেয়ে জরুরি। প্যানেলের মতে, দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাস তৈরি হয় যখন উভয় পক্ষ গবেষণা, মূল্যায়ন এবং সমস্যা সমাধানে প্রকৃত অংশীদারের মতো একসঙ্গে কাজ করে। 

সামিটের অন্যান্য সেশনে বক্তা হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন— আফজাল মাহবুব, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, গ্রে গ্রুপ; অজয় কুমার কুন্ডু, চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, মিডিয়াকম লিমিটেড; সারাহ আলী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, এফসিবি বিটপি; শারজিল করিম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইন্টারস্পিড অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড; ইশতিয়াক শহরিয়ার, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড হেড অব ডিপার্টমেন্ট, ডিজিটাল অ্যাসেটস অ্যান্ড কমিউনিকেশনস, বিকাশ লিমিটেড; দ্রাবীর আলম, চিফ অপারেটিং অফিসার অ্যান্ড ডিরেক্টর, এক্স সলিউশনস লিমিটেড; তানভীর হোসাইন, এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড; লুতফি চৌধুরী, কো–ফাউন্ডার অ্যান্ড সিইও, অ্যাডফিনিক্স লিমিটেড এবং  প্রমুখ।

এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায় কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। সহযোগিতায় — কানস লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ক্রিয়েটিভিটি। স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার — ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভার্টাইজিং অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ, এশিয়া মার্কেটিং ফেডারেশন, বিবিএফ সিএমও ক্লাব; নলেজ পার্টনার — মার্কেটিং সোসাইটি অব বাংলাদেশ;  হসপিটালিটি পার্টনার — লে মেরিডিয়ান ঢাকা ; অফিশিয়াল ক্যারিয়ার পার্টনার — টার্কিশ এয়ারলাইন্স; পিআর পার্টনার — ব্যাকপেজ পিআর। কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫ বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের একটি উদ্যোগ।


ছবি : মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু





শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: নরসংদীতে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

নরসিংদী:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায়  নরসংদীর রায়পুরা বালুয়াকান্দীতে  অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

 Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

 Global Climate Strike 2025: আগারগাঁওয়ে জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি

ঢাকা, আগারগাঁও:

সিআরডি গ্লোবালের আয়োজনে এবং স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সামনে অনুষ্ঠিত হলো Global Climate Strike 2025। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বাংলাদেশের শিশুরাও অংশ নেয় এই কর্মসূচিতে।

এতে উপস্থিত ছিলেন স্বদেশ মৃত্তিকা আদর্শ বিদ্যানিকেতনের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীরা এবং অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত শিশু, যারা হাতে প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন এবং স্লোগানে জানান তাদের দৃঢ় দাবি—

“জলবায়ু ন্যায়বিচার চাই, এখনই চাই!”

আরো উপস্থিত ছিলেন সিআরডি গ্লোবালের সদস্যবৃন্দ।

স্বদেশ মৃত্তিকা মানব উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আকবর হোসেন বলেন:

“জলবায়ু সঙ্কট আজ বিশ্বব্যাপী মানবতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এই শিশুদের অংশগ্রহণ আমাদের আশাবাদী করে—কারণ সচেতন প্রজন্মই ভবিষ্যৎ পৃথিবীকে রক্ষা করবে। আমরা পরিবেশের পক্ষে সবসময় কণ্ঠ তুলে আসছি এবং এই কার্যক্রম আমাদের সে পথকে আরও শক্তিশালী করবে।”

সিআরডি গ্লোবালের প্রতিষ্ঠাতা আকলিমা আক্তার সাথি বলেন:

“জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শুধু নীতিনির্ধারক নয়, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শিশুরা যখন এই আন্দোলনে যুক্ত হয়, তখন তা সমাজে বড় ধরনের সচেতনতা সৃষ্টি করে। আমরা চাই সবাই মিলে একটি টেকসই ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক।”

আয়োজকদের মতে, পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগ আরও জোরদার করা জরুরি।

সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

 চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান নীতিমালায় সংশোধন আসছে — তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

📍 ঢাকা, ১২ নভেম্বর ২০২৫:

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মোঃ মাহফুজ আলম বলেছেন, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হবে, যাতে অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের মানোন্নয়ন ও স্বচ্ছতা আরও বৃদ্ধি পায়

বুধবার (১২ নভেম্বর) ঢাকার তথ্য ভবনে আয়োজিত “স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২৫”-এর সংশোধন-বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “বিদ্যমান নীতিমালার আলোকে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে সরকারি অনুদানের জন্য চলচ্চিত্র বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত চলচ্চিত্রগুলোর নির্মাণে গুণগত মান বজায় রাখা এখন সবার দায়িত্ব।”

তিনি আরও জানান, চলচ্চিত্রের মানোন্নয়নে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে অনুদান নীতিমালার সংশোধন কার্যক্রম চলছে। নীতিমালায় যেসব ক্ষেত্রে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলো লিখিতভাবে প্রস্তাব আকারে জমা দিতে তিনি চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন —
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা, অতিরিক্ত সচিব নূর মো. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান সহ দেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র পরিচালক, নির্মাতা, অভিনেতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ

🎬 সরকারের এ উদ্যোগে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন উদ্যম ও মানোন্নয়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

 ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

 

ঢাবিতে ২ দিনব্যাপী ছাত্রশিবিরের নববর্ষের প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ২ দিনব্যাপী নববর্ষ ২০২৬ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (৯ নভেম্বর, রোববার) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা, ৮ নভেম্বর:  ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রতিবছর সৃজনশীল প্রকাশনা তৈরি করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ছাত্রশিবির আজ এ পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। এই যাত্রা ছিল অত্যন্ত কঠিন। ছাত্রশিবিরের সফলতা কেউ কখনো সহজে মেনে নিতে পারেনি। এখন পর্যন্ত আমাদের জুলাইসহ ২৩৪ জন ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। গুম, খুন, জুলুম ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েই নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রকাশনাগুলো দিন দিন শিক্ষার্থীদের কাছে আরও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। আমাদের প্রায় ৩০০ রকমের প্রকাশনা উপকরণ রয়েছে। ‘১ পাতায় মসজিদ’—এটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যসমৃদ্ধ একটি চমৎকার সামাজিক ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে। ‘৩ পাতার ক্যালেন্ডার’ তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনন্য স্বপ্ন। এটি রীতিমতো একটি গবেষণাপত্র। কোনো প্রকাশনা অনর্থক তৈরি করা হয়নি। প্রতিটি প্রকাশনা সামগ্রীর সঙ্গে জড়িয়ে আছে কঠোর পরিশ্রম, আবেগ ও অনুভূতি। এটি ছাত্রসমাজের জন্য পাথেয়।”

সবশেষে তিনি সবাইকে প্রদর্শনীতে এসে এসব প্রকাশনা দেখার ও একে অপরকে উপহার প্রদানের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ, প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, গবেষণা সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও ডাকসু জিএস এস. এম. ফরহাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি রেজাউল করিম শাকিল, মেডিকেল জোন সভাপতি ডা. যায়েদ আহমেদ এবং ডাকসুর আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশনা উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ছাত্রশিবির সভাপতি। এরপর সকল প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন করেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেল। একই সঙ্গে সকল কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট সদস্যরা প্রকাশনার প্রদর্শন করেন।

পরবর্তীতে প্রদর্শনীতে কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ঘুরে ঘুরে দেখেন, প্রতিটি স্টল পরিদর্শন করেন, দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, প্রকাশনা উপহার প্রদান করেন এবং মন্তব্য বোর্ডে স্বাক্ষর করেন।

প্রদর্শনীতে স্টলগুলোর মধ্যে ছিল জুলাই স্মারক গ্রন্থ, বাংলা ও ইংরেজি ডায়েরি, ৩ পাতা ক্যালেন্ডার, ১ পাতা ক্যালেন্ডার, ডেস্ক ক্যালেন্ডার, ইয়ার প্ল্যানার, জুলাই স্মৃতি সংকলন, প্রকাশনা আর্কাইভ, বিজ্ঞান বন্ধু, শিশু-কিশোর কার্নিভাল ও মন্তব্য বোর্ড।

উল্লেখ্য, ৯ ও ১০ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ২ দিনব্যাপী এ প্রকাশনা উৎসব চলবে।

মেরিনা তাবাসসুম: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মাথায় রেখে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের গুরুত্ব

মেরিনা তাবাসসুম: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মাথায় রেখে স্থাপত্য নকশা প্রণয়নের গুরুত্ব

 

ঢাকা, ৮ নভেম্বর:  বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাবকে মাথায় রেখে স্থাপনার নকশা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। 

স্থাপত্য শাখার নোবেল হিসেবে খ্যাত আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার বিজয়ী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই বাংলাদেশি কৃতী স্থপতি  বলেছেন, “একজন শিল্পী একটি দেশকে প্রতিনিধিত্ব করেন, আর তাঁর শিল্পকর্ম তাঁকে সারা জীবন বাঁচিয়ে রাখে।”

শনিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিরামিক বাংলাদেশ ম্যাগাজিন’ আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধে তিনি এসব কথা বলেন। 

‘বিটুইন ইরোশন অ্যান্ড ইমারজেন্সি’ শিরোনামের উপস্থাপনায় মেরিনা তাবাসসুম তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “স্থাপত্য কেবল ভবন নির্মাণ নয়, এটি সংস্কৃতি, সমাজ ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি জীবন্ত শিল্প। একজন স্থপতির দায়িত্ব শুধু কাঠামো তৈরি নয়, বরং এমন কিছু সৃষ্টি করা যা মানুষের জীবন, পরিবেশ ও সময়ের সঙ্গে কথা বলে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের কাজ যেন এই মাটির বাস্তবতার সঙ্গে মিশে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং মানুষের জীবনধারার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্থাপত্যের ভাষা বদলাতে হবে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “চরাঞ্চলের মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে বাঁচে। তাদের জীবনযাপন ও বাসস্থানকে টেকসইভাবে গড়ে তুলতে স্থাপত্যের নতুন ধারণা প্রয়োগ জরুরি।”

মেরিনা তাবাসসুম জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পুনর্বাসনযোগ্য ঘর তৈরিতে তার দল ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে। এসব প্রকল্পে স্থানীয় মানুষকে যুক্ত করে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী নকশা তৈরি করা হচ্ছে।

মেরিনা তাবাসসুম আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু স্থাপনা নির্মাণ নয়, বরং মানুষের সঙ্গে তাদের পরিবেশের একটি ভারসাম্য সৃষ্টি করা। চরাঞ্চলের মানুষকে আত্মনির্ভর করে তুললেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।”


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিরামিক বাংলাদেশ ম্যাগাজিনের সিনিয়র অ্যাডভাইজর, আরকিকানেক্টের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্থপতি জালাল আহমেদ। 

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের স্থাপত্য আজ বিশ্বে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছে। মেরিনা তাবাসসুমের মতো স্থপতিরা আমাদের গর্ব এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।”

পুরো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন স্থপতি মৌসুমী আহমেদ। 


স্থপতি মাহমুদুল আনোয়ার রিয়াদের সঞ্চালনায় পরে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন প্রফেসর জয়নাব ফারুকী আলী, স্থপতি নাহাস আহমেদ খলিল ও প্রফেসর ফুয়াদ হাসান মল্লিক।

সমাপনী বক্তব্যে বিসিএমইএ প্রেসিডেন্ট ও মুন্নু সিরামিকের ভাইস চেয়ারম্যান মইনুল ইসলাম বলেন, “দেশের স্থাপত্য ও সিরামিক শিল্প একে অপরের পরিপূরক। শিল্প, শিক্ষা ও গবেষণার সমন্বয় ঘটিয়ে এই খাতকে আরও এগিয়ে নিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে দেশের প্রখ্যাত স্থপতি, প্রকৌশলী, সিরামিক শিল্প উদ্যোক্তা, শীর্ষ কর্মকর্তা ও সিনিয়র সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।